সিরাজগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর সেখের স্ত্রী শোহর বানু সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।
আব্দুস সবুর সেখ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের জামায়াতের সাবেক আমির। মামলার এজাহারে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকারসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৫ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলাটি দায়ের হয়েছে, তবে আসামিদের কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি এবং তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় একটি মসজিদে জোহরের নামাজ শেষে বের হওয়ার পর আব্দুস সবুর সেখকে হামলা চালানো হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্থানীয় বিএনপির চিহ্নিত নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
আহত আব্দুস সবুরকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরের ৩টি স্থানে জখম হয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, “লং মার্চের সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে জামায়াত নেতাকর্মীদের তর্কবিতর্ক হয়। এ কারণে স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী আব্দুস সবুরকে ধরে কিলঘুষি দিয়েছে। কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ সঠিক নয়।”
অনলাইন ডেক্স 
























