বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউক্রেন ও ইরান কেন্দ্রিক দুটি যুদ্ধ আলাদাভাবে চলছে, তবে সম্প্রতি এদের মধ্যে পারস্পরিক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই নিজেদের যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বৈঠকের মাধ্যমে এই সংযোগটি স্পষ্ট হয়েছে। ইউক্রেনের ড্রোন বিশেষজ্ঞরা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন, যা এই সম্পর্কের আরেকটি প্রমাণ।
ইউক্রেন যুদ্ধ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার প্রায় ৫ লক্ষ সেনা নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউক্রেনের অন্তত ৫ লাখ ২৫ হাজার থেকে ৬ লাখ ২৫ হাজার সেনা হতাহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। যুদ্ধের ফলে দেশটির অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং লাখ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক দেশত্যাগী হয়ে শরণার্থী জীবন কাটাচ্ছে।
অন্যদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন সেনাসদস্যরা নিহত ও আহত হয়েছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত ১৭টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানও রাশিয়ার মিত্র হিসেবে সামরিক সহায়তার মুখাপেক্ষী।
মার্কিন প্রতিনিধিদল রাশিয়া ও ইউক্রেন সফর করেছে এবং দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তবে এখনও যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আশার বাণী শোনা যায়নি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত যুদ্ধ শেষ হবে। তবে ইউক্রেনে রুশ হামলার মাত্রা বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
অনলাইন ডেক্স 























