বাংলাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক হাজার ছাড়িয়েছে। গত আট বছরে যেখানে বার্ষিক সংক্রমণ ৪০০-র নিচে ছিল, সেখানে ২০২৬ সালে হাম নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এই অসুখ এখন মহামারি রূপ নিয়েছে।
জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা দেওয়ার কাজে অবহেলা এর পেছনে প্রধান কারণ। চলতি বছরের শুরু থেকেই হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এপ্রিল থেকে মে মাসে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও প্রায় ৪০ লাখ শিশু বাদ পড়ে যায়।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ২। এর মধ্যে উপসর্গে মারা গেছে ৯০২ জন এবং হামে ১০০ জন। বুধবার পর্যন্ত দেশে উপসর্গ ও নিশ্চিত মিলিয়ে হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৮৪।
বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশে এ বছর হাম সংক্রমণে শীর্ষে উঠে এলেও আগের বছরগুলোতে রোগীর সংখ্যা ছিল অনেক কম। ২০২৫ সালে রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৩২ জন, ২০২৪ সালে ২৪৭, ২০২৩ সালে ২৮২ এবং ২০২২ সালে ৩১১ জন।
টিকাদানে ঘাটতি এবং সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০-২১ সালের পর বিশেষ ক্যাম্পেইন না হওয়ায় নিয়মিত টিকাদানের কভারেজও কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এখন ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের শিশুদের টিকার ব্যবস্থা করতে হবে।
অনলাইন ডেক্স 






















