সার্বিয়া বসনিয়ার মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত যুদ্ধাপরাধী জেনারেল রাতকো ম্লাদিককে সামরিক মর্যাদা দিয়েছে। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একটি কারা হাসপাতালে ৮৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
১৯৯২-৯৫ সালের বসনিয়ান-সার্ব যুদ্ধে আট হাজার মুসলিমকে হত্যায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ম্লাদিককে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার, নেদারল্যান্ডসের হেগ থেকে তার মরদেহ সার্বিয়াতে পৌঁছায়, যেখানে কফিনটি সার্বিয়ার পতাকায় মোড়ানো ছিল।
ম্লাদিকের মরদেহটি বেলগ্রেডের একটি সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার ছেলে এবং বিচারমন্ত্রী নেনান্দ ভুজিক উপস্থিত ছিলেন। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুকিক গত সপ্তাহে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে বিদায় জানানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন।
ম্লাদিকের মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে এবং পরে তা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই যুদ্ধাপরাধীকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছে, বলেছে তার মতো একজন অপরাধীর স্থান ইউরোপে নেই।
১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের নির্ধারিত ‘সেফ এরিয়া’-তে মুসলিম পুরুষ ও বালকদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার জন্য ম্লাদিককে ‘বসনিয়ার কসাই’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ শুরু হয় এবং ২০১১ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
অনলাইন ডেক্স 























