ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর আগে চল্লিশার আয়োজন করলেন রফিকুল, ৬ হাজার মানুষকে দাওয়াত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১৫ Time View

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার এক বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৬২) মারা যাওয়ার আগেই নিজের চল্লিশার আয়োজন করেছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজের পর তিনি নিজ বাড়ির পাশে হাজারো মানুষের জন্য ‘গণমেজবানের’ আয়োজন করেন। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

রফিকুল উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের বীর হাজীপুর গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে। আয়োজনে বীর হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ অংশ নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রফিকুল এলাকায় বিত্তশালী হিসেবে পরিচিত এবং সম্প্রতি সরকারি রাস্তা নির্মাণের জন্য তার দোকান ও জমির একটি বড় অংশ অধিগ্রহণ করা হয়।

রফিকুলের চাচাতো ভাই আবদুস সালাম জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ আয়োজন করা হয়েছে। তিনি এক সপ্তাহ ধরে গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় দাওয়াত দিয়েছেন। খাবারের জন্য গরু ও খাসি জবাই করা হয় এবং শামিয়ানা টানিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়।

খাবার খেতে আসা নূরুল ইসলাম বলেন, সাধারণত কেউ মারা যাওয়ার ৪০ দিন পর চল্লিশার আয়োজন করা হয়, তবে রফিকুল জীবিত অবস্থায় এ আয়োজন করেছেন। তিনি মনে করেন, মৃত্যুর পর স্বজনেরা এভাবে বড় আয়োজন করতে পারবেন না।

রফিকুল ইসলাম জানান, তার বয়স হয়েছে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। তিনি স্ত্রী বেগম আক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে মৃত্যুর আগেই চল্লিশার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। তবে কিশোরগঞ্জের মুফতি মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন ইসলামে সমর্থন করে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেপাল থেকে দেশে ফিরলেন অপু বিশ্বাস, তাসরিফ খান আটকে রয়েছেন

মৃত্যুর আগে চল্লিশার আয়োজন করলেন রফিকুল, ৬ হাজার মানুষকে দাওয়াত

আপলোড সময় : ০৬:২৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার এক বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৬২) মারা যাওয়ার আগেই নিজের চল্লিশার আয়োজন করেছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজের পর তিনি নিজ বাড়ির পাশে হাজারো মানুষের জন্য ‘গণমেজবানের’ আয়োজন করেন। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

রফিকুল উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের বীর হাজীপুর গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে। আয়োজনে বীর হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ অংশ নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রফিকুল এলাকায় বিত্তশালী হিসেবে পরিচিত এবং সম্প্রতি সরকারি রাস্তা নির্মাণের জন্য তার দোকান ও জমির একটি বড় অংশ অধিগ্রহণ করা হয়।

রফিকুলের চাচাতো ভাই আবদুস সালাম জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ আয়োজন করা হয়েছে। তিনি এক সপ্তাহ ধরে গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় দাওয়াত দিয়েছেন। খাবারের জন্য গরু ও খাসি জবাই করা হয় এবং শামিয়ানা টানিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়।

খাবার খেতে আসা নূরুল ইসলাম বলেন, সাধারণত কেউ মারা যাওয়ার ৪০ দিন পর চল্লিশার আয়োজন করা হয়, তবে রফিকুল জীবিত অবস্থায় এ আয়োজন করেছেন। তিনি মনে করেন, মৃত্যুর পর স্বজনেরা এভাবে বড় আয়োজন করতে পারবেন না।

রফিকুল ইসলাম জানান, তার বয়স হয়েছে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। তিনি স্ত্রী বেগম আক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে মৃত্যুর আগেই চল্লিশার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। তবে কিশোরগঞ্জের মুফতি মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন ইসলামে সমর্থন করে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন