আশুলিয়ার গ্যাসনির্ভর বেশ কয়েকটি কারখানায় তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, আবার কোথাও পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে উৎপাদন। এর ফলে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে।
বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে বাড়ছে ব্যয়। কারখানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘস্থায়ী এই সংকট অব্যাহত থাকলে শ্রমিক ছাঁটাই বা জনবল কমানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
ফ্যাশন গ্লোব গ্রুপের কারখানা এ আর ও ওয়েট প্রসেসিং লিমিটেডে কয়েক সপ্তাহ ধরে কম সক্ষমতায় উৎপাদন চলার পর গতকাল সকালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস সংকট শুরুর পর থেকেই উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমেছে।
রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিরুদ্ধ পিয়াল বলেন, গ্যাসের চাপ অনিয়মিত থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ৯৭৫ জন শ্রমিক কর্মরত থাকলেও উৎপাদন না হওয়ায় তাদের বেতন পরিশোধ করতেই হবে।
এদিকে, শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, গ্যাস সংকটের কারণে আশুলিয়া অঞ্চলের কোনো কারখানা বন্ধ হওয়ার তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে মুন্নু সিরামিকস এক বা দুই দিন বন্ধ ছিল বলে জানান তারা।
অনলাইন ডেক্স 

























