ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১ ও ৫-এর নির্মাণ ব্যয় প্রাথমিক প্রাক্কলনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে। এ তথ্য উঠে এসেছে সরকারের সাত সদস্যের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, করের হার বৃদ্ধি এবং নকশায় পরিবর্তনের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া জানান, নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কমিটি ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার এবং টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে।
কমিটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণ ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮৮ হাজার থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে।
ডিএমটিসিএল-এর সংশোধিত প্রস্তাবে এমআরটি লাইন-১-এর মোট ব্যয় ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়নকাল ২০৩৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এমআরটি লাইন-৫-এর সংশোধিত ব্যয় ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমান সরকার প্রকল্পগুলোর কাজ পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে ব্যয় কমানোর জন্য জাপান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে। স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান শামীম জেড বসুনিয়া বলেন, ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে হলে দ্রুত প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু করা উচিত।
অনলাইন ডেক্স 























