ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপির ব্যাখ্যা: পরিদর্শন কক্ষে ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:১১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৩ Time View

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দিন বাবুল ৬ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দের বাইরে ১০ লাখ টাকা ব্যয় করে একটি পরিদর্শন কক্ষ সংস্কার করেছেন। এমপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

গত ২১ জুলাই ইত্তেফাক ডিজিটালে প্রকাশিত একটি সংবাদে অভিযোগ করা হয় যে, এমপি ৬ লাখ টাকার বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আহমেদ কবির আদনান এক বার্তায় দাবি করেছেন যে, সরকারি নির্দেশনায় উপজেলা পরিষদে পরিদর্শন কক্ষ স্থাপন বা সংস্কারের ব্যয় এডিপি, রাজস্ব খাত অথবা অন্য বৈধ উৎস থেকে নির্বাহ করা যাবে।

এমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবাদে উল্লেখিত তথ্যগুলো বিভ্রান্তিকর। তারা দাবি করেছেন যে, সংবাদে ব্যবহৃত ছবিটি আদিতমারী উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষের নয়, বরং এমপির ব্যক্তিগত বাসভবনের ছবি।

এছাড়া, এমপির ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২১ এপ্রিল এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব জিয়াউর রহমানের চিঠিতে পরিদর্শন কক্ষ নির্মাণের জন্য ৬ লাখ টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। তবে এমপি ওই কক্ষের সংস্কার ও আসবাবপত্রের জন্য ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল যে, বরাদ্দের অধিকাংশ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এমপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সংবাদটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সের দাবানলে ১৬০০ হেক্টর পুড়ে গেছে, স্থানীয়দের নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে

এমপির ব্যাখ্যা: পরিদর্শন কক্ষে ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য

আপলোড সময় : ০৭:১১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দিন বাবুল ৬ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দের বাইরে ১০ লাখ টাকা ব্যয় করে একটি পরিদর্শন কক্ষ সংস্কার করেছেন। এমপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

গত ২১ জুলাই ইত্তেফাক ডিজিটালে প্রকাশিত একটি সংবাদে অভিযোগ করা হয় যে, এমপি ৬ লাখ টাকার বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আহমেদ কবির আদনান এক বার্তায় দাবি করেছেন যে, সরকারি নির্দেশনায় উপজেলা পরিষদে পরিদর্শন কক্ষ স্থাপন বা সংস্কারের ব্যয় এডিপি, রাজস্ব খাত অথবা অন্য বৈধ উৎস থেকে নির্বাহ করা যাবে।

এমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবাদে উল্লেখিত তথ্যগুলো বিভ্রান্তিকর। তারা দাবি করেছেন যে, সংবাদে ব্যবহৃত ছবিটি আদিতমারী উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষের নয়, বরং এমপির ব্যক্তিগত বাসভবনের ছবি।

এছাড়া, এমপির ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২১ এপ্রিল এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব জিয়াউর রহমানের চিঠিতে পরিদর্শন কক্ষ নির্মাণের জন্য ৬ লাখ টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। তবে এমপি ওই কক্ষের সংস্কার ও আসবাবপত্রের জন্য ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল যে, বরাদ্দের অধিকাংশ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এমপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সংবাদটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন