ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন চিকিৎসক ছেলের বাবা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২৮ Time View

চুয়ান্ন বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করে চমক দেখালেন আলী আকবর। তিনি জিপিএ-৪.৩৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আলী আকবর নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার পেড়াবাড়িয়া মহল্লার মোল্লা শেখ খোকার ছেলে।

জানা গেছে, তিনি রাজশাহীর নওহাটা সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হাইস্কুলের কারিগরি শাখার বিল্ডিং মেইনটেনেন্স ট্রেড থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

আলী আকবর জানান, তিনি দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। বাবার সঙ্গে সংসারের হাল ধরতে গিয়ে তখন তিনি পড়ালেখা করতে পারেননি। পরে তিনি বিয়ে করেন এবং তাদের ঘরে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে জন্মলাভ করে।

বর্তমানে ছেলে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক। পুত্রবধূও একই ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা এবং চিকিৎসক। অন্যদিকে মেয়ে নার্স। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করে জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে আবারও নিজের পড়ালেখা করার ইচ্ছা হয়।

আলী আকবর বলেন, পড়ালেখার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়, ইচ্ছাশক্তি আর মনোবল এবং অধ্যবসায় সাফল্য এনে দিতে পারে। তার ছেলে ডা. ইসমাইল হোসেন জানান, বাবার এই সাফল্যে তিনি খুব খুশি এবং তাকে এইচএসসিতেও ভর্তি করে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন পেলেন প্রধানমন্ত্রী থেকে সম্মাননা

৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন চিকিৎসক ছেলের বাবা

আপলোড সময় : ১১:১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চুয়ান্ন বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করে চমক দেখালেন আলী আকবর। তিনি জিপিএ-৪.৩৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আলী আকবর নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার পেড়াবাড়িয়া মহল্লার মোল্লা শেখ খোকার ছেলে।

জানা গেছে, তিনি রাজশাহীর নওহাটা সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হাইস্কুলের কারিগরি শাখার বিল্ডিং মেইনটেনেন্স ট্রেড থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

আলী আকবর জানান, তিনি দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন। বাবার সঙ্গে সংসারের হাল ধরতে গিয়ে তখন তিনি পড়ালেখা করতে পারেননি। পরে তিনি বিয়ে করেন এবং তাদের ঘরে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে জন্মলাভ করে।

বর্তমানে ছেলে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক। পুত্রবধূও একই ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা এবং চিকিৎসক। অন্যদিকে মেয়ে নার্স। সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করে জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে আবারও নিজের পড়ালেখা করার ইচ্ছা হয়।

আলী আকবর বলেন, পড়ালেখার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়, ইচ্ছাশক্তি আর মনোবল এবং অধ্যবসায় সাফল্য এনে দিতে পারে। তার ছেলে ডা. ইসমাইল হোসেন জানান, বাবার এই সাফল্যে তিনি খুব খুশি এবং তাকে এইচএসসিতেও ভর্তি করে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন