ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজ না করেই বিল তোলার চেষ্টা, দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:২০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ২৩০ Time View

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল পুঃখনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ এই টাকা ফেরত পাঠান, কারণ খনন কাজ নিয়ে অনিয়ম ও প্রয়োজনীয়তা না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রূপসীর জারুল খাল পুনঃখননের বরাদ্দ আসার পর এটি উদ্বোধন করেছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ। খালটির উদ্বোধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যা জনসাধারণের নজরে আসে।

জানা গেছে, খালটি প্রথম খনন উদ্বোধন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাই এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। স্থানীয় প্রশাসন খালটির কাজের তদারকি করে আসছিল।

সরেজমিনে পরিদর্শনের পর দেখা যায়, জারুল খাল পুনঃখনন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী হচ্ছে না। এ কারণে সরকারি অর্থ গচ্চা যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে ইউএনও এই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, খালটি সচল ছিল এবং পুঃখননের কোনো প্রয়োজন ছিল না। ঠিকাদার ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন বলে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করছিলেন, যা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান এস এম জিলানীর

কাজ না করেই বিল তোলার চেষ্টা, দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

আপলোড সময় : ০৮:২০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল পুঃখনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ এই টাকা ফেরত পাঠান, কারণ খনন কাজ নিয়ে অনিয়ম ও প্রয়োজনীয়তা না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রূপসীর জারুল খাল পুনঃখননের বরাদ্দ আসার পর এটি উদ্বোধন করেছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ। খালটির উদ্বোধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, যা জনসাধারণের নজরে আসে।

জানা গেছে, খালটি প্রথম খনন উদ্বোধন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাই এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। স্থানীয় প্রশাসন খালটির কাজের তদারকি করে আসছিল।

সরেজমিনে পরিদর্শনের পর দেখা যায়, জারুল খাল পুনঃখনন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী হচ্ছে না। এ কারণে সরকারি অর্থ গচ্চা যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে ইউএনও এই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইউএনও মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, খালটি সচল ছিল এবং পুঃখননের কোনো প্রয়োজন ছিল না। ঠিকাদার ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন বলে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করছিলেন, যা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন