সাতক্ষীরার রাজনীতিতে আলোচিত গাজী নজরুল ইসলাম সম্প্রতি একটি ভিডিওর কারণে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার আগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সশস্ত্র শাখা গণবাহিনীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্পিকারকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গাজী নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গণবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র লুট ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তিনি পরে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে দলের প্রভাবশালী নেতা হয়ে ওঠেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, গাজী নজরুল ইসলাম এমপি থাকাকালে ভূমি দখল ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা দাবি করেছেন, তার ছেলে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বালু উত্তোলন করছেন, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর শ্যামনগরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। গাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি।
অনলাইন ডেক্স 






















