বাংলাদেশের সরকার নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম স্বাক্ষরিত একটি আধা-সরকারি পত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আইরিন খানকে সরকারের সিনিয়র সচিব পদমর্যাদা ও বেতন-ভাতায় দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে।
আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই তিনি তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে পারেন। এ নিয়োগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।
ডিও লেটারে উল্লেখ করা হয়েছে, আইরিন খান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার, সুশাসন ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুপরিচিত। তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা বাংলাদেশের অবস্থানকে বহুপাক্ষিক ফোরামে আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ মিশনে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি খুব দ্রুত জাতিসংঘে তার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রথমবার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দুজন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি থাকবেন। তাদের মধ্যে একজন উপ-প্রতিনিধি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ড. খলিলুর রহমানকে সহায়তা করবেন।
অনলাইন ডেক্স 






















