ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেপ ভার্দেতে ভ্রমণের জন্য আগাম ভিসা আবশ্যক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:৩৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৪৩ Time View

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কেপ ভার্দেতে প্রবেশের জন্য আগাম ভিসা নেওয়া আবশ্যক। কেপ ভার্দের সরকারি অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের নাগরিকদের জন্য এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকেরা আগাম ভিসা ছাড়া কেপ ভার্দে ভ্রমণ করতে পারবেন না।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টের বৈশ্বিক অবস্থান ৯৬তম। এই র‍্যাংকিং অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকেরা বিশ্বের ৩৬টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ পান। তবে কেপ ভার্দের নতুন নিয়মের কারণে এই সুযোগ আর থাকবে না।

কেপ ভার্দের দূতাবাস বাংলাদেশে নেই, তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। পর্যটক কাজী আসমা আজমেরী জানান, তিনি সেনেগালে কেপ ভার্দের দূতাবাস থেকে ছয় মাসের ভিসা নিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে যাওয়া হয়নি।

কেপ ভার্দে ভ্রমণের জন্য সাধারণত ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মাধ্যমে আদ্দিস আবাবা হয়ে সেনেগাল হয়ে পৌঁছানো যায়। দেশটি সমুদ্রসৈকত, আগ্নেয়গিরি এবং ক্রেওল সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, যা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে ভারতজুড়ে কংগ্রেসের বিক্ষোভ

কেপ ভার্দেতে ভ্রমণের জন্য আগাম ভিসা আবশ্যক

আপলোড সময় : ০৬:৩৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কেপ ভার্দেতে প্রবেশের জন্য আগাম ভিসা নেওয়া আবশ্যক। কেপ ভার্দের সরকারি অভিবাসন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের নাগরিকদের জন্য এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকেরা আগাম ভিসা ছাড়া কেপ ভার্দে ভ্রমণ করতে পারবেন না।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টের বৈশ্বিক অবস্থান ৯৬তম। এই র‍্যাংকিং অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকেরা বিশ্বের ৩৬টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ পান। তবে কেপ ভার্দের নতুন নিয়মের কারণে এই সুযোগ আর থাকবে না।

কেপ ভার্দের দূতাবাস বাংলাদেশে নেই, তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। পর্যটক কাজী আসমা আজমেরী জানান, তিনি সেনেগালে কেপ ভার্দের দূতাবাস থেকে ছয় মাসের ভিসা নিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে যাওয়া হয়নি।

কেপ ভার্দে ভ্রমণের জন্য সাধারণত ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের মাধ্যমে আদ্দিস আবাবা হয়ে সেনেগাল হয়ে পৌঁছানো যায়। দেশটি সমুদ্রসৈকত, আগ্নেয়গিরি এবং ক্রেওল সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, যা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন