ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ কর্মকর্তা ও ইসরাইলি দূতের মধ্যে তুমুল তর্কবিতর্ক

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে তুমুল বিতর্কে জড়িয়েছেন ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। 

শুক্রবার (১৯ জুন) নিউ ইয়র্কে শুনানি চলাকালে জনসমক্ষে শিশুদের ওপর সশস্ত্র সংঘাত বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। 

এ ঘটনাকে জাতিসংঘের কূটনৈতিক শিষ্টাচারের ব্যাপক লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতা নির্মূল বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এক বৈঠকে প্যাটেনের পদত্যাগ দাবি করেন ড্যানন। 

জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা ইসরাইলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এনে কালোতালিকাভুক্ত করেছিলেন। ড্যানন তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেছেন। 

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ইসরাইলকে লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিবের অবস্থানের কাছে প্যাটেন নতি স্বীকার করেছেন। 

রয়টার্স জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ জাতিসংঘের আরেক বিশেষ দূত ভ্যানেসা ফ্রেজার হস্তক্ষেপ করেন। তিনি পয়েন্ট অর্ডার তুলে ফ্লোর নেন। এ সময় তিনি ড্যাননকে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরতে থাকতে অনুরোধ জানান। 

জবাবে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ফ্রেজারকে চুপ থাকতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, আমরা একটি সদস্য রাষ্ট্র আর আপনি জাতিসংঘের একজন কর্মচারী। তাই আপনি শান্ত হয়ে যান। 

ফ্রেজার জাতিসংঘে মাল্টার সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি চলতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। 

এতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ‘আশঙ্কাজনকভাবে’ বাড়ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।  

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

জাতিসংঘ কর্মকর্তা ও ইসরাইলি দূতের মধ্যে তুমুল তর্কবিতর্ক

আপলোড সময় : ০৯:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে তুমুল বিতর্কে জড়িয়েছেন ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন। 

শুক্রবার (১৯ জুন) নিউ ইয়র্কে শুনানি চলাকালে জনসমক্ষে শিশুদের ওপর সশস্ত্র সংঘাত বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। 

এ ঘটনাকে জাতিসংঘের কূটনৈতিক শিষ্টাচারের ব্যাপক লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতা নির্মূল বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এক বৈঠকে প্যাটেনের পদত্যাগ দাবি করেন ড্যানন। 

জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা ইসরাইলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ এনে কালোতালিকাভুক্ত করেছিলেন। ড্যানন তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেছেন। 

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ইসরাইলকে লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে জাতিসংঘ মহাসচিবের অবস্থানের কাছে প্যাটেন নতি স্বীকার করেছেন। 

রয়টার্স জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ জাতিসংঘের আরেক বিশেষ দূত ভ্যানেসা ফ্রেজার হস্তক্ষেপ করেন। তিনি পয়েন্ট অর্ডার তুলে ফ্লোর নেন। এ সময় তিনি ড্যাননকে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরতে থাকতে অনুরোধ জানান। 

জবাবে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ফ্রেজারকে চুপ থাকতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, আমরা একটি সদস্য রাষ্ট্র আর আপনি জাতিসংঘের একজন কর্মচারী। তাই আপনি শান্ত হয়ে যান। 

ফ্রেজার জাতিসংঘে মাল্টার সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি চলতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। 

এতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি শিশুদের বিরুদ্ধে অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ‘আশঙ্কাজনকভাবে’ বাড়ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।  

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন