ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনে ইউরোপের অনীহা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১৫ Time View

হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনীহায় এই প্রচেষ্টা থমকে গেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে এই জোট গঠনের চেষ্টা চলছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরে এই উদ্যোগ নিচ্ছে, যদিও শুরুতে বেশিরভাগ দেশ এতে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খোলা রেখেছিল।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স আন্তর্জাতিক নৌ মিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তিনি জানান, এই মিশন হবে ‘শান্তিপূর্ণ ও প্রতিরক্ষামূলক’।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই মিশনে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হবে। যদিও কয়েক মাস পরও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাজ্য একমত, তবে কার্যক্রম মাটির পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

বিশ্লেষকেরা জানান, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দাবি না থাকলে তারা নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নয়। ইউরোপের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে উত্তেজনা কমানো ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন দেশে আসেন : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনে ইউরোপের অনীহা

আপলোড সময় : ০৯:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর অনীহায় এই প্রচেষ্টা থমকে গেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে এই জোট গঠনের চেষ্টা চলছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মাস ধরে এই উদ্যোগ নিচ্ছে, যদিও শুরুতে বেশিরভাগ দেশ এতে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খোলা রেখেছিল।

এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স আন্তর্জাতিক নৌ মিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তিনি জানান, এই মিশন হবে ‘শান্তিপূর্ণ ও প্রতিরক্ষামূলক’।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই মিশনে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হবে। যদিও কয়েক মাস পরও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাজ্য একমত, তবে কার্যক্রম মাটির পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

বিশ্লেষকেরা জানান, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে চায় না। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দাবি না থাকলে তারা নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নয়। ইউরোপের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে উত্তেজনা কমানো ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন