ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর থেকে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেননি বলে দাবি করেছে বিরোধীপন্থি সংবাদমাধ্যম ইরানওয়্যার। এ তথ্যটি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাতে প্রকাশিত হয়েছে ইসরাইলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে ইরানের ক্ষমতাসীন মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং তার জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা খামেনির মৃত্যুর খবর এলে তা অপ্রত্যাশিত হবে না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমেও তার কোনো অডিও বা ভিডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়নি, তবে তার নামে লিখিত বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে।
ইরানওয়্যারের দাবি, হামলায় আলি খামেনি নিহত হওয়ার পাশাপাশি মোজতবা খামেনিও আহত হন এবং তার শরীরে স্থায়ী বিকৃতি দেখা দিতে পারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন এবং বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত কঠিন। তবে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইরানওয়্যারের এসব দাবি সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
অনলাইন ডেক্স 

























