ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলে কী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে?

bangla-converter
Unicode to Bijoy Bangla Text Converter Web Tools with Popular Newspaper List
15:32:19 | Friday, 08 May 2026
Add your Link
Gmail
WhatsApp
Search
Image To Text
Bing
Facebook
Twitter
Youtube
Translate
Online Newspapers
National Newspapers
Local Newspapers
TV Channels
Educational Institution
Important Tools
Official Link
Shopping Stores
Notice Boad
Others Importent
Latest Post
March 16, 2023শুমানবিডি

জরুরি নোটিশ
আর ভয় নেই বিদ্যুৎ কিংবা পিসি অথবা ব্রাউজার বন্ধ হয়ে লেখা মুছে যাওয়ার। যেখান থেকে শেষ- সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করতে পারবেন। তবে Clear All Text Data বাটনের মাধ্যমে সকল টেক্স বক্সের লেখা স্থায়ীভাবে ডিলিট করতে পারবেন। এছাড়া বেশকিছু সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। যদি কোন সমস্যা ফেস করেন তাহলে Whatsapp এ যোগাযোগ কারতে পারেন।

Unicode to Bijoy Bangla Converter
ইউনিকোড টু বিজয় বাংলা কনভার্টার ব্যবহারের নিয়ম
প্রথমে নির্দিষ্ট ঘরে লেখা পেস্ট করুন। এরপর যে লেখায় রুপান্তর করতে চান সেই বোতামে ক্লিক করুন। এতে লেখা চাহিদা অনুযায়ী কনভার্ট হয়ে যাবে। যেমন-যদি ইউনিকোডে রুপান্তর করতে চান তাহলে ইউনিকোড লেখা ঘরে পেস্ট করে ‘ইউনিকোড বাংলা’ বোতাম চাপুন এতে আপনার লেখা ইউনিকোডে রুপান্তর হয়ে উপরের ঘরে দেখা যাবে। আবার ইউনিকোড লেখাকে উপরের ঘরে পেস্ট করে ‘ক্লাসিক বাংলা’ বোতামে ক্লিক করলে লেখা বদলিয়ে নিচের ঘরে দেখা যাবে। ডেস্কটপ এবং মোবাইলেও একইভাবে কাজ করে।
unicode-to-bijoy-bangla-converter
Unicode Bangla
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে এই প্রথম দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির জয়ের ফলাফলে প্রতিবেশি দেশ হিসেবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইস্যুটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বিভিন্ন সময় বিজেপি নেতারা সেদেশের মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বা পুশইন করা হবে বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এমন প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়লাভের পর বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথা এসেছে।
প্রশ্ন উঠেছে— পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ক্ষমতায় যখন বিজেপি এসেছে, তখন দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে কী না?
বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে রাতারাতি পরিবর্তন হয় না। নির্বাচনের সময়ের ভোটের রাজনীতি একটি রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিকে পরিবর্তন করে না বা প্রভাব ফেলে না বলে তারা মনে করেন।
কিন্তু সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা হলেও সেটি পার্শ্ববর্তী দেশকে প্রভাবিত করে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারকে সচেতন থাকতে হবে বলে মনে করেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, এটা ঠিক, যারা রাষ্ট্র গঠন করে সাম্প্রদায়িক ইনসিডেন্টের ক্ষেত্রে তাদের একটা প্রচ্ছন্ন সাপোর্ট বা ভূমিকা থাকতে পারে।
তবে এই বিশ্লেষক মনে করেন, পররাষ্ট্র নীতি অনেকটাই কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত হয়। আমার মনে হয় না, কোয়ালিটেটিভ পরিবর্তন আসবে।
কোয়ালিটেটিভ পরিবর্তন না আসার কারণ হিসেবে ইয়াসমিন জানান, শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে যদি আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকে, তাহলে ফরেন পলিসির ক্ষেত্রে আমূল কোনো পরিবর্তন আসবে না।
সাবেক কূটনীতিক মুন্সি ফয়েজ আহমদ অবশ্য মনে করছেন, দুদেশই সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিলেও এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
ফয়েজ আহমদ বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দুপক্ষ থেকেই ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে সুসম্পর্কের। কিন্তু এটার জন্য দুদেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় হলে বুঝতে পারবো সেই অঙ্গীকারটা আছে এবং তারপরে নির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতির চিন্তা তখন করা যাবে।
তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গ
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি, যেটি অনেক দিন ধরে ঝুলে আছে।

ভারতের নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্রীয় সরকার এই চুক্তিতে রাজি হলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর রাজ্য সরকার রাজি ছিল না বলে বরাবরই সেই রাজ্য সরকারের দোহাই দিয়ে আসছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের ফলে এখন রাজ্যেও ক্ষমতায় এসেছে দলটি। কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার দুই ক্ষেত্রেই ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসছে। ফলে এইক্ষেত্রে দুইদেশের রাজনীতির একটি ইস্যু তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন দুই বিশ্লেষক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসমিন মনে করছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থন ছাড়া কোনো চুক্তিই হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর ওপর তখন সুযোগ বুঝে দোষ চাপানো হয়। কারণ তিস্তার সাথে শুধু রাজ্য সরকার নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বার্থও কিন্তু এটার সাথে জড়িত। কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়া কোন চুক্তিই হওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু এটা বিজেপি নিয়ন্ত্রিত সরকার ছিল না, তাই মমতাকে এটার জন্য দায়ী করা বিজেপির পক্ষে সহজ ছিল।

কিন্তু মমতা ব্যানার্জী তিস্তা চুক্তির ব্যর্থতার জন্য এককভাবে দায়ী নন বরং পুরো স্ট্রাকচার দায়ী বলে মনে করেন অধ্যাপক ইয়াসমিন।

সাবেক কূটনীতিক ফয়েজ আহমদ অবশ্য মনে করেন, এখন তিস্তা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যাবে। আগে বিজেপির সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রীর ঘাড়ে দোষারোপ চাপিয়েছিল।

ফয়েজ আহমদ বলেন, এখনতো কেন্দ্র এবং প্রদেশে একই রকমের সরকার। সুতরাং সমস্যাটা আগের তুলনায় কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বরং আমি মনে করি, ইতিবাচক অগ্রগতি আমরা দেখতেও পারি।

তবে এই অগ্রগতি মূলত দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে বলেও মনে করেন তিনি।

সীমান্ত নিরাপত্তা

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।এর প্রভাব পড়েছিল সীমান্তে নিরাপত্তসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

বাংলাদেশে নতুন নির্বাচিত বিএনপি সরকার সীমান্ত নিরাপত্তাসহ সকল ক্ষেত্রেই ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে ইতিবাচক বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন।

বিশ্লেষকেরা বলেন, একটি রাজ্যসভার নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ওই রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি নির্ভর করে না।

অধ্যাপক ইয়াসমিন বলেন, একটা রাষ্ট্রের ফরেন পলিসি একটা গ্র্যান্ড ডিজাইন। সেই কারনে আমরা দেখি যে, তার ফরেন পলিসির জন্য যদি মনে হয় যে, সীমান্ত সেনসেটাইজ করলে তার সুবিধা হয় তাহলে করবে। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার তার পক্ষে হলে সেটা সহজ হয়।

তবে, তিনি মনে করেন, সাময়িকভাবে উত্তেজনা এখন হলেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় যাওয়ার পরে পরবর্তীতে সীমান্তের এপাশে-ওপাশে বড় রকমের আর কোনো ঝামেলা বা উত্তেজনা হবে না।

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা প্রায় ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটারের কিছু বেশি। বাংলাদেশ ও ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বর্ডার বা সীমানা ভোগকারী দেশ। অর্থাৎ, একইসাথে সীমানা রয়েছে সবচেয়ে বড় এমন দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম এই দেশ।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি নিয়ন্ত্রিত একাধিক রাজ্যেই মুসলিমদের ওপর নিপীড়ণ হতে দেখা গেছে। এমনকি বাংলাদেশও বিভিন্ন সময়ে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

ইয়াসমিন বলেন, এটার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, দুটি দেশ যেহেতু ওয়ার্ল্ডের ফিফথ লার্জেস্ট বর্ডার শেয়ার করে সেহেতু তাদের ভিতরে ডোমেস্টিক অ্যাফেয়ার্স কী হচ্ছে সেটার প্রভাব আরেকটি দেশে পড়ে।

সম্প্রতি জয়লাভের পর একটি মাংসের দোকান বিজেপির সমর্থকরা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ কারণে অধ্যাপক ইয়াসমিন ইতিবাচকভাবে দেখতে চান উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপগুলো একটা আশ্বাস দিতে পারে।

আলোচনায় পুশ-ইন

নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিজেপি নেতারা সে দেশের মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বা পুশইন করা হবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন। আর এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথা এসেছে।

এরইমধ্যে, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

৬ মে ঢাকার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি ওই কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজেপির জয়ে বাংলাদেশে পুশব্যাক বাড়তে পারে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক কূটনীতিক ফয়েজ আহমদ বলেন, আমরা (সোমবার) গতকালকেই বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছি, যাতে সীমান্তে তারা একটু সতর্ক থাকে। কারণ সেরকম কোনো সম্ভাবনা দেখি না, যদি হয় যাতে তারা এড্রেস করতে পারে। আমার ধারণা সেরকম কিছু ঘটবে না।

তিনি আরও বলছেন, ভোটের রাজনীতিতে করা কোন মন্তব্য পরবর্তীতে সে দেশের পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে না। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধীতা করবে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

বাংলাদেশ সরকারের মনোভাব

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল।

ওই সময়ে ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে হামলা ও পতাকা পোড়ানো, ভারতের ভিসা বন্ধ হওয়াসহ নানা ঘটনা দুই দেশের সম্পর্ককে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করে।

কিন্তু গত ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার ভারত সরকার. দুপক্ষই সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। তবে নির্বাচনি প্রচারণার শুরু থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাদের করা বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা ধরনের মন্তব্য এই সম্পর্ক নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি করে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় নিশ্চিত হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়টি বাংলাদেশের সরকার কীভাবে দেখছে, সেটি নিয়েও আলোচনা ওঠে।

এরই মধ্যে, ৪ মে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে যেই থাকুক না কেন অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে বাংলাদেশ একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে।

সংখ্যালঘু মুসলমানদের অবৈধ হিসাবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার বিষয়ে বিজেপি নেতাদের বক্তব্যের সম্পর্ক সংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি ওই কথা বলেন বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বিজেপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল হোক, আমাদের দিক থেকে আমাদের ওদের সাথে পানির ইস্যু আছে, পুশব্যাকের যে ইস্যুটা বললেন, ওটা আছে। আরও অনেক ইস্যু আছে। সেই ইস্যুগুলোতো আমাদের রয়ে যাচ্ছে। সেগুলো যেই সরকার আসুক না কেন বা থাকুক না কেন, তাদের সাথে আমাদের আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে।

পরদিন মঙ্গলবার ঢাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আরেকটি অনুষ্ঠানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ এই ফরেন পলিসি অনুযায়ী বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে নেবে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রথম বা ফার্স্ট নীতিতে আমাদের ফরেন পলিসি, যেই সরকারই আসুক না কেন সেই ইস্যুতে আমাদের ফরেন পলিসি পরিবর্তন হবে না। আমরা আমাদের ফরেন পলিসি নিয়েই সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে আগাবো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে হামে উপসর্গে ৫ ঘণ্টায় ‍তিন শিশুর মৃত্যু

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলে কী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে?

আপলোড সময় : ০৩:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

bangla-converter
Unicode to Bijoy Bangla Text Converter Web Tools with Popular Newspaper List
15:32:19 | Friday, 08 May 2026
Add your Link
Gmail
WhatsApp
Search
Image To Text
Bing
Facebook
Twitter
Youtube
Translate
Online Newspapers
National Newspapers
Local Newspapers
TV Channels
Educational Institution
Important Tools
Official Link
Shopping Stores
Notice Boad
Others Importent
Latest Post
March 16, 2023শুমানবিডি

জরুরি নোটিশ
আর ভয় নেই বিদ্যুৎ কিংবা পিসি অথবা ব্রাউজার বন্ধ হয়ে লেখা মুছে যাওয়ার। যেখান থেকে শেষ- সেখান থেকেই আবার কাজ শুরু করতে পারবেন। তবে Clear All Text Data বাটনের মাধ্যমে সকল টেক্স বক্সের লেখা স্থায়ীভাবে ডিলিট করতে পারবেন। এছাড়া বেশকিছু সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। যদি কোন সমস্যা ফেস করেন তাহলে Whatsapp এ যোগাযোগ কারতে পারেন।

Unicode to Bijoy Bangla Converter
ইউনিকোড টু বিজয় বাংলা কনভার্টার ব্যবহারের নিয়ম
প্রথমে নির্দিষ্ট ঘরে লেখা পেস্ট করুন। এরপর যে লেখায় রুপান্তর করতে চান সেই বোতামে ক্লিক করুন। এতে লেখা চাহিদা অনুযায়ী কনভার্ট হয়ে যাবে। যেমন-যদি ইউনিকোডে রুপান্তর করতে চান তাহলে ইউনিকোড লেখা ঘরে পেস্ট করে ‘ইউনিকোড বাংলা’ বোতাম চাপুন এতে আপনার লেখা ইউনিকোডে রুপান্তর হয়ে উপরের ঘরে দেখা যাবে। আবার ইউনিকোড লেখাকে উপরের ঘরে পেস্ট করে ‘ক্লাসিক বাংলা’ বোতামে ক্লিক করলে লেখা বদলিয়ে নিচের ঘরে দেখা যাবে। ডেস্কটপ এবং মোবাইলেও একইভাবে কাজ করে।
unicode-to-bijoy-bangla-converter
Unicode Bangla
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে এই প্রথম দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির জয়ের ফলাফলে প্রতিবেশি দেশ হিসেবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ইস্যুটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বিভিন্ন সময় বিজেপি নেতারা সেদেশের মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বা পুশইন করা হবে বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন। এমন প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়লাভের পর বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথা এসেছে।
প্রশ্ন উঠেছে— পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ক্ষমতায় যখন বিজেপি এসেছে, তখন দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে কী না?
বাংলাদেশের কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে রাতারাতি পরিবর্তন হয় না। নির্বাচনের সময়ের ভোটের রাজনীতি একটি রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিকে পরিবর্তন করে না বা প্রভাব ফেলে না বলে তারা মনে করেন।
কিন্তু সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা হলেও সেটি পার্শ্ববর্তী দেশকে প্রভাবিত করে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারকে সচেতন থাকতে হবে বলে মনে করেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, এটা ঠিক, যারা রাষ্ট্র গঠন করে সাম্প্রদায়িক ইনসিডেন্টের ক্ষেত্রে তাদের একটা প্রচ্ছন্ন সাপোর্ট বা ভূমিকা থাকতে পারে।
তবে এই বিশ্লেষক মনে করেন, পররাষ্ট্র নীতি অনেকটাই কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত হয়। আমার মনে হয় না, কোয়ালিটেটিভ পরিবর্তন আসবে।
কোয়ালিটেটিভ পরিবর্তন না আসার কারণ হিসেবে ইয়াসমিন জানান, শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে যদি আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকে, তাহলে ফরেন পলিসির ক্ষেত্রে আমূল কোনো পরিবর্তন আসবে না।
সাবেক কূটনীতিক মুন্সি ফয়েজ আহমদ অবশ্য মনে করছেন, দুদেশই সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিলেও এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
ফয়েজ আহমদ বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দুপক্ষ থেকেই ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে সুসম্পর্কের। কিন্তু এটার জন্য দুদেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় হলে বুঝতে পারবো সেই অঙ্গীকারটা আছে এবং তারপরে নির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতির চিন্তা তখন করা যাবে।
তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গ
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি, যেটি অনেক দিন ধরে ঝুলে আছে।

ভারতের নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্রীয় সরকার এই চুক্তিতে রাজি হলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর রাজ্য সরকার রাজি ছিল না বলে বরাবরই সেই রাজ্য সরকারের দোহাই দিয়ে আসছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের ফলে এখন রাজ্যেও ক্ষমতায় এসেছে দলটি। কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার দুই ক্ষেত্রেই ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসছে। ফলে এইক্ষেত্রে দুইদেশের রাজনীতির একটি ইস্যু তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন দুই বিশ্লেষক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসমিন মনে করছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থন ছাড়া কোনো চুক্তিই হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, মমতা ব্যানার্জীর ওপর তখন সুযোগ বুঝে দোষ চাপানো হয়। কারণ তিস্তার সাথে শুধু রাজ্য সরকার নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বার্থও কিন্তু এটার সাথে জড়িত। কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়া কোন চুক্তিই হওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু এটা বিজেপি নিয়ন্ত্রিত সরকার ছিল না, তাই মমতাকে এটার জন্য দায়ী করা বিজেপির পক্ষে সহজ ছিল।

কিন্তু মমতা ব্যানার্জী তিস্তা চুক্তির ব্যর্থতার জন্য এককভাবে দায়ী নন বরং পুরো স্ট্রাকচার দায়ী বলে মনে করেন অধ্যাপক ইয়াসমিন।

সাবেক কূটনীতিক ফয়েজ আহমদ অবশ্য মনে করেন, এখন তিস্তা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখতে পাওয়া যাবে। আগে বিজেপির সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রীর ঘাড়ে দোষারোপ চাপিয়েছিল।

ফয়েজ আহমদ বলেন, এখনতো কেন্দ্র এবং প্রদেশে একই রকমের সরকার। সুতরাং সমস্যাটা আগের তুলনায় কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বরং আমি মনে করি, ইতিবাচক অগ্রগতি আমরা দেখতেও পারি।

তবে এই অগ্রগতি মূলত দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে বলেও মনে করেন তিনি।

সীমান্ত নিরাপত্তা

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।এর প্রভাব পড়েছিল সীমান্তে নিরাপত্তসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

বাংলাদেশে নতুন নির্বাচিত বিএনপি সরকার সীমান্ত নিরাপত্তাসহ সকল ক্ষেত্রেই ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে ইতিবাচক বলে বিশ্লেষকেরা মনে করেন।

বিশ্লেষকেরা বলেন, একটি রাজ্যসভার নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ওই রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি নির্ভর করে না।

অধ্যাপক ইয়াসমিন বলেন, একটা রাষ্ট্রের ফরেন পলিসি একটা গ্র্যান্ড ডিজাইন। সেই কারনে আমরা দেখি যে, তার ফরেন পলিসির জন্য যদি মনে হয় যে, সীমান্ত সেনসেটাইজ করলে তার সুবিধা হয় তাহলে করবে। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার তার পক্ষে হলে সেটা সহজ হয়।

তবে, তিনি মনে করেন, সাময়িকভাবে উত্তেজনা এখন হলেও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় যাওয়ার পরে পরবর্তীতে সীমান্তের এপাশে-ওপাশে বড় রকমের আর কোনো ঝামেলা বা উত্তেজনা হবে না।

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা প্রায় ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটারের কিছু বেশি। বাংলাদেশ ও ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম বর্ডার বা সীমানা ভোগকারী দেশ। অর্থাৎ, একইসাথে সীমানা রয়েছে সবচেয়ে বড় এমন দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম এই দেশ।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি নিয়ন্ত্রিত একাধিক রাজ্যেই মুসলিমদের ওপর নিপীড়ণ হতে দেখা গেছে। এমনকি বাংলাদেশও বিভিন্ন সময়ে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

ইয়াসমিন বলেন, এটার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, দুটি দেশ যেহেতু ওয়ার্ল্ডের ফিফথ লার্জেস্ট বর্ডার শেয়ার করে সেহেতু তাদের ভিতরে ডোমেস্টিক অ্যাফেয়ার্স কী হচ্ছে সেটার প্রভাব আরেকটি দেশে পড়ে।

সম্প্রতি জয়লাভের পর একটি মাংসের দোকান বিজেপির সমর্থকরা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ কারণে অধ্যাপক ইয়াসমিন ইতিবাচকভাবে দেখতে চান উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপগুলো একটা আশ্বাস দিতে পারে।

আলোচনায় পুশ-ইন

নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিজেপি নেতারা সে দেশের মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বা পুশইন করা হবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন। আর এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথা এসেছে।

এরইমধ্যে, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পুশ-ইন ইস্যুতে সীমান্তে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

৬ মে ঢাকার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি ওই কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজেপির জয়ে বাংলাদেশে পুশব্যাক বাড়তে পারে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক কূটনীতিক ফয়েজ আহমদ বলেন, আমরা (সোমবার) গতকালকেই বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছি, যাতে সীমান্তে তারা একটু সতর্ক থাকে। কারণ সেরকম কোনো সম্ভাবনা দেখি না, যদি হয় যাতে তারা এড্রেস করতে পারে। আমার ধারণা সেরকম কিছু ঘটবে না।

তিনি আরও বলছেন, ভোটের রাজনীতিতে করা কোন মন্তব্য পরবর্তীতে সে দেশের পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে না। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধীতা করবে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

বাংলাদেশ সরকারের মনোভাব

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল।

ওই সময়ে ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে হামলা ও পতাকা পোড়ানো, ভারতের ভিসা বন্ধ হওয়াসহ নানা ঘটনা দুই দেশের সম্পর্ককে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করে।

কিন্তু গত ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার ভারত সরকার. দুপক্ষই সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। তবে নির্বাচনি প্রচারণার শুরু থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতাদের করা বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা ধরনের মন্তব্য এই সম্পর্ক নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি করে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় নিশ্চিত হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়টি বাংলাদেশের সরকার কীভাবে দেখছে, সেটি নিয়েও আলোচনা ওঠে।

এরই মধ্যে, ৪ মে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে যেই থাকুক না কেন অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে বাংলাদেশ একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে।

সংখ্যালঘু মুসলমানদের অবৈধ হিসাবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার বিষয়ে বিজেপি নেতাদের বক্তব্যের সম্পর্ক সংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি ওই কথা বলেন বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বিজেপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল হোক, আমাদের দিক থেকে আমাদের ওদের সাথে পানির ইস্যু আছে, পুশব্যাকের যে ইস্যুটা বললেন, ওটা আছে। আরও অনেক ইস্যু আছে। সেই ইস্যুগুলোতো আমাদের রয়ে যাচ্ছে। সেগুলো যেই সরকার আসুক না কেন বা থাকুক না কেন, তাদের সাথে আমাদের আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করতে হবে।

পরদিন মঙ্গলবার ঢাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আরেকটি অনুষ্ঠানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের নির্বাচন ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ এই ফরেন পলিসি অনুযায়ী বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে নেবে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রথম বা ফার্স্ট নীতিতে আমাদের ফরেন পলিসি, যেই সরকারই আসুক না কেন সেই ইস্যুতে আমাদের ফরেন পলিসি পরিবর্তন হবে না। আমরা আমাদের ফরেন পলিসি নিয়েই সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে আগাবো।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন