ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভাব-অনটন থেকে মুক্তির আমল ও দোয়া

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

আল্লাহর নেয়ামত হিসেবে ধনসম্পদ মানুষের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষের ইমানের পরীক্ষা হিসেবে কখনও অভাব-অনটন সৃষ্টি করেন। তবে অনেকেই দুর্বল ইমানের কারণে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন।

আল্লাহতায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত।” (সুরা মাআরিজ আয়াত: ১৯-২০)। তাই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া উচিত নয় এবং সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে।

রিজিক বৃদ্ধির জন্য তাকওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন।” (সুরা আত-তালাক: ২-৩)। গোনাহ বর্জন, ফরজ আদায় এবং আল্লাহভীতির জীবন রিজিকে বরকতের অন্যতম কারণ।

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তার প্রতিটি সংকট থেকে মুক্তির পথ বের করে দেন।” (আবু দাউদ: ১৫১৮)। এছাড়া, সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখাও রিজিক বৃদ্ধির উপায়।

রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” (সহিহ মুসলিম: ২৫৫৭)। আল্লাহ বলেন, “তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার পরিবর্তে আরও দান করেন।” (সুরা সাবা: ৩৯)।

হালাল উপার্জনে বরকত রয়েছে এবং হারাম উপার্জন ইবাদত কবুল হওয়ার অন্তরায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, “তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথার্থ ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদের রিজিক দেবেন।” (তিরমিজি, হাদিস: ২৩৪৪)।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ছয় মাসে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়: খালিদ হোসেন

অভাব-অনটন থেকে মুক্তির আমল ও দোয়া

আপলোড সময় : ১২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আল্লাহর নেয়ামত হিসেবে ধনসম্পদ মানুষের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষের ইমানের পরীক্ষা হিসেবে কখনও অভাব-অনটন সৃষ্টি করেন। তবে অনেকেই দুর্বল ইমানের কারণে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন।

আল্লাহতায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত।” (সুরা মাআরিজ আয়াত: ১৯-২০)। তাই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া উচিত নয় এবং সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে।

রিজিক বৃদ্ধির জন্য তাকওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন।” (সুরা আত-তালাক: ২-৩)। গোনাহ বর্জন, ফরজ আদায় এবং আল্লাহভীতির জীবন রিজিকে বরকতের অন্যতম কারণ।

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার করে, আল্লাহ তার প্রতিটি সংকট থেকে মুক্তির পথ বের করে দেন।” (আবু দাউদ: ১৫১৮)। এছাড়া, সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখাও রিজিক বৃদ্ধির উপায়।

রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” (সহিহ মুসলিম: ২৫৫৭)। আল্লাহ বলেন, “তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার পরিবর্তে আরও দান করেন।” (সুরা সাবা: ৩৯)।

হালাল উপার্জনে বরকত রয়েছে এবং হারাম উপার্জন ইবাদত কবুল হওয়ার অন্তরায়। রাসুল (সা.) বলেছেন, “তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথার্থ ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদের রিজিক দেবেন।” (তিরমিজি, হাদিস: ২৩৪৪)।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন