ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে টেকসই শান্তির জন্য: আইরিন খান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

জাতিসংঘের বাংলাদেশি স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।

বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি নারীর নেতৃত্ব জোরদারের জন্য তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত আইরিন খান শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। নারীরা প্রায়ই তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপেক্ষিত থাকেন।

তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারের বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদান এবং দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি হানজালার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের দাবি

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে টেকসই শান্তির জন্য: আইরিন খান

আপলোড সময় : ০১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের বাংলাদেশি স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।

বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি নারীর নেতৃত্ব জোরদারের জন্য তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত আইরিন খান শান্তি বিনির্মাণে নারীর নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। নারীরা প্রায়ই তাদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপেক্ষিত থাকেন।

তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারের বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদান এবং দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন