ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের অর্থনৈতিক সংকট: তেল বিক্রি ও কারখানা ধ্বংসের প্রভাব

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৬ Time View

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি উল্লেখ করেছেন, তেল বিক্রি কমে আসার পাশাপাশি বিভিন্ন কারখানা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আজ শনিবার ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, তেল বিক্রি কমে যাওয়ার ফলে রাষ্ট্রীয় আয় কমে গেছে, যা সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি করেছে এবং পণ্যের দাম বেড়েছে। তিনি জানান, আগে আমদানিকৃত পণ্যগুলো সরাসরি ইরানে আসত, কিন্তু এখন বিকল্প পথে আসায় খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

পেজেশকিয়ান আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সময় দেশের শিল্প-কারখানাগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, বিপুল সংখ্যক কারখানা লক্ষ্য করে ধ্বংস করা হয়েছে, যার প্রভাব কর আদায়ের ওপর পড়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে কারখানাগুলো থেকে কর আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাদের কার্যক্রম সচল রাখতে অর্থ সহায়তা দিতে হচ্ছে। পেজেশকিয়ান বলেন, সমস্যা বেড়ে গেছে, অথচ আয় কমে গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যার ফলে সরাসরি সংঘাতের অবসান ঘটে। তবে পরবর্তীতে হরমুজ প্রণালি নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা থমকে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

ইরানের অর্থনৈতিক সংকট: তেল বিক্রি ও কারখানা ধ্বংসের প্রভাব

আপলোড সময় : ১১:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি উল্লেখ করেছেন, তেল বিক্রি কমে আসার পাশাপাশি বিভিন্ন কারখানা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আজ শনিবার ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, তেল বিক্রি কমে যাওয়ার ফলে রাষ্ট্রীয় আয় কমে গেছে, যা সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি করেছে এবং পণ্যের দাম বেড়েছে। তিনি জানান, আগে আমদানিকৃত পণ্যগুলো সরাসরি ইরানে আসত, কিন্তু এখন বিকল্প পথে আসায় খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

পেজেশকিয়ান আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের সময় দেশের শিল্প-কারখানাগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, বিপুল সংখ্যক কারখানা লক্ষ্য করে ধ্বংস করা হয়েছে, যার প্রভাব কর আদায়ের ওপর পড়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে কারখানাগুলো থেকে কর আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাদের কার্যক্রম সচল রাখতে অর্থ সহায়তা দিতে হচ্ছে। পেজেশকিয়ান বলেন, সমস্যা বেড়ে গেছে, অথচ আয় কমে গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ১৮ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যার ফলে সরাসরি সংঘাতের অবসান ঘটে। তবে পরবর্তীতে হরমুজ প্রণালি নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা থমকে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন