ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েবের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি মাদক বহনকারীদের ছেড়ে দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এসআই ফিরোজ দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে ধর্মদহ এলাকা থেকে কয়েকজন মাদক বহনকারী ফেনসিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় এসআই ফিরোজের নেতৃত্বে পুলিশ টহল দলের সামনে পড়েন।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারীরা ফেনসিডিলের বস্তা ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাদের আটক করে মারপিট করা হয় এবং পরে মামলা না দেওয়ার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল দৌলতপুর থানায় জব্দ দেখানো হয়নি এবং কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের ছিল।

এসআই ফিরোজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই দিন কোনো মাদক উদ্ধার করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’ দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, ‘৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতি না করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

কুষ্টিয়ায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েবের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৪:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি মাদক বহনকারীদের ছেড়ে দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এসআই ফিরোজ দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের তেকালা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে ধর্মদহ এলাকা থেকে কয়েকজন মাদক বহনকারী ফেনসিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় এসআই ফিরোজের নেতৃত্বে পুলিশ টহল দলের সামনে পড়েন।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বহনকারীরা ফেনসিডিলের বস্তা ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তাদের আটক করে মারপিট করা হয় এবং পরে মামলা না দেওয়ার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল দৌলতপুর থানায় জব্দ দেখানো হয়নি এবং কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিল মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরের ছিল।

এসআই ফিরোজ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই দিন কোনো মাদক উদ্ধার করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।’ দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, ‘৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন