ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনে ২০ বছর পর সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০ বছর পর সাধারণ (আইনসভা) নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রি বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে তিনি আগামী ২৮ নভেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করেন।

এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের সমস্ত ভূখণ্ড, অর্থাৎ অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে একযোগে এই আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদি নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে এটি হবে গত দুই দশকের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সর্বশেষ আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই নির্বাচনে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ দলকে পরাজিত করে হামাস একটি বিশাল জয় পায়। এরপর থেকে ফাতাহ ও হামাসের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় এবং ২০০৭ সালে গাজা উপত্যকায় হামাস ফাতাহকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

আলজাজিরার সংবাদদাতা নূর ওদেহ জানিয়েছেন, এই নির্বাচনি ঘোষণাটি ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব এবং বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার ফল। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসনব্যবস্থায় সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক বৈধতা ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধাবস্থা এবং গাজা উপত্যকার পরিস্থিতিতে হামাস ও ফাতাহ এক টেবিলে বসে নির্বাচন কীভাবে এবং কতটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েল ভোট দেওয়ার অনুমতি দেবে কি না, সেটিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যাকবলিতদের সহায়তায় সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত: মাহদী আমিন

ফিলিস্তিনে ২০ বছর পর সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা

আপলোড সময় : ১২:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০ বছর পর সাধারণ (আইনসভা) নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রি বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে তিনি আগামী ২৮ নভেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করেন।

এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের সমস্ত ভূখণ্ড, অর্থাৎ অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে একযোগে এই আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদি নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে এটি হবে গত দুই দশকের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের প্রথম সাধারণ নির্বাচন।

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সর্বশেষ আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই নির্বাচনে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ দলকে পরাজিত করে হামাস একটি বিশাল জয় পায়। এরপর থেকে ফাতাহ ও হামাসের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয় এবং ২০০৭ সালে গাজা উপত্যকায় হামাস ফাতাহকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

আলজাজিরার সংবাদদাতা নূর ওদেহ জানিয়েছেন, এই নির্বাচনি ঘোষণাটি ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব এবং বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার ফল। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসনব্যবস্থায় সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক বৈধতা ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধাবস্থা এবং গাজা উপত্যকার পরিস্থিতিতে হামাস ও ফাতাহ এক টেবিলে বসে নির্বাচন কীভাবে এবং কতটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব জেরুজালেমের ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েল ভোট দেওয়ার অনুমতি দেবে কি না, সেটিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন