ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাখ টাকার ঘুষে বেবিচকের সাবেক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ এম রাশেদ সরকারকে লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া, আদালত রাশেদ সরকারকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সাজা ভোগ করতে হবে। দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাশেদ সরকার জামিনে থাকা অবস্থায় আদালতে হাজির হয়ে রায় শুনেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাকিব হাসান ২০১৮ সালে বেবিচকের সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের জন্য প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন, কিন্তু রাশেদ সরকার তার আবেদন বাতিল করেন। রাকিবকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য রাশেদ এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।

২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর রাকিব হাসান ঘুষের টাকা রাশেদের কাছে পৌঁছে দিলে দুদকের ফাঁদ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলা দায়ের করেন এবং তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্টের পর ছুটিতে গিয়ে ফিরে না আসায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

লাখ টাকার ঘুষে বেবিচকের সাবেক কর্মকর্তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালটেন্ট এইচ এম রাশেদ সরকারকে লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া, আদালত রাশেদ সরকারকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সাজা ভোগ করতে হবে। দুদক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাশেদ সরকার জামিনে থাকা অবস্থায় আদালতে হাজির হয়ে রায় শুনেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাকিব হাসান ২০১৮ সালে বেবিচকের সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের জন্য প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন, কিন্তু রাশেদ সরকার তার আবেদন বাতিল করেন। রাকিবকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার জন্য রাশেদ এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।

২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর রাকিব হাসান ঘুষের টাকা রাশেদের কাছে পৌঁছে দিলে দুদকের ফাঁদ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলা দায়ের করেন এবং তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন