মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপে সরকারি জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জান্তা বাহিনীর বিমান হামলার ফলে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গতকাল রাত থেকে মংডু এলাকায় তীব্র বিমান হামলা শুরু হয়, যা টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে শব্দের মাধ্যমে অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জান্তা বাহিনী যুদ্ধবিমান থেকে একাধিক বোমা নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে সীমান্তের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে নাফ নদীসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিজিবির উখিয়া-৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা রোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন, যদি সংঘাত বৃদ্ধি পায়, তবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। এক রোহিঙ্গা নেতা জানিয়েছেন, মিয়ানমারে বিমান হামলায় অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মো. অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি ও কোস্টগার্ড সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 





















