ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর ভূমিকম্প ঝুঁকির এলাকা চিহ্নিত করল রাজউক ও বুয়েট

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২০২ Time View

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকা বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে ঢাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারে।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ঢাকা পরিকল্পনার চেয়ে দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে, যেখানে জলাভূমি ভরাট করে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী জানান, ভূমিকম্পের সময় এসব এলাকায় প্রবল কম্পন বৃদ্ধির ঝুঁকি বেশি।

বিশেষজ্ঞরা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যথাযথ পাইলিং ও মাটির উন্নয়ন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছেন। বুয়েট ঢাকার ভূমিকে চারটি রঙের অঞ্চলে ভাগ করেছে: লাল অঞ্চল সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, গোলাপি অঞ্চল মাঝারি থেকে উচ্চঝুঁকি, নীল অঞ্চল তুলনামূলক কম ঝুঁকি এবং সবুজ অঞ্চল সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ঢাকার মাত্র ৩৫ শতাংশ এলাকা শক্ত লাল প্লাইস্টোসিন মাটির ওপর অবস্থিত। ঝুঁকিপূর্ণ লাল অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে হজরতপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, লালবাগ ও আশুলিয়া। গোলাপি অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে গুলশান, পল্লবী, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

রাজধানীর ভূমিকম্প ঝুঁকির এলাকা চিহ্নিত করল রাজউক ও বুয়েট

আপলোড সময় : ১২:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকা বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে ঢাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারে।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ঢাকা পরিকল্পনার চেয়ে দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে, যেখানে জলাভূমি ভরাট করে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী জানান, ভূমিকম্পের সময় এসব এলাকায় প্রবল কম্পন বৃদ্ধির ঝুঁকি বেশি।

বিশেষজ্ঞরা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যথাযথ পাইলিং ও মাটির উন্নয়ন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছেন। বুয়েট ঢাকার ভূমিকে চারটি রঙের অঞ্চলে ভাগ করেছে: লাল অঞ্চল সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, গোলাপি অঞ্চল মাঝারি থেকে উচ্চঝুঁকি, নীল অঞ্চল তুলনামূলক কম ঝুঁকি এবং সবুজ অঞ্চল সর্বনিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ঢাকার মাত্র ৩৫ শতাংশ এলাকা শক্ত লাল প্লাইস্টোসিন মাটির ওপর অবস্থিত। ঝুঁকিপূর্ণ লাল অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে হজরতপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, লালবাগ ও আশুলিয়া। গোলাপি অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে গুলশান, পল্লবী, মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন