ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ২০০ Time View

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির বিরুদ্ধে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। গত ২৯ জুন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এই কার্যক্রম শুরু করে।

ঘটনার সূত্রপাত ২৫ জুন, যখন প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগ থেকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির ২৪টি ডিম ও ২২ পিস পাউরুটি উদ্ধার করা হয়। পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সরকারের এই কর্মসূচি নিয়ে অপপ্রচারে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষিকার লিখিত জবাব কর্তৃপক্ষকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ফলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের সুপারিশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা নথিভুক্ত করা হয়, যা সরকারি কর্মচারী বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

আপলোড সময় : ১২:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির বিরুদ্ধে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। গত ২৯ জুন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এই কার্যক্রম শুরু করে।

ঘটনার সূত্রপাত ২৫ জুন, যখন প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগ থেকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির ২৪টি ডিম ও ২২ পিস পাউরুটি উদ্ধার করা হয়। পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সরকারের এই কর্মসূচি নিয়ে অপপ্রচারে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষিকার লিখিত জবাব কর্তৃপক্ষকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ফলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের সুপারিশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা নথিভুক্ত করা হয়, যা সরকারি কর্মচারী বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ ও দুর্নীতির শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন