ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে এখন আর জটিল প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে মাত্র দুই ধাপে সম্পন্ন করা যাবে পুরো আবেদন প্রক্রিয়া। প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হবে, এরপর প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিআরটিএ তাদের ফেসবুক পেজে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
আবেদনকারীদের চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে এবং লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।
দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএর সেবা পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ফি ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা জমা দিতে হবে। পেশাদার লাইসেন্সের আবেদনকারীদের জন্য ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
অনলাইন ডেক্স 























