ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় ড্রেজার দিয়ে কৃষিজমি, পুকুর ও জলাশয় ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব কার্যক্রম প্রকাশ্যে চললেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এর ফলে আবাদি জমি কমে যাওয়ার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশের ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার বসিয়ে নিচু জমি, কৃষিজমি, পুকুর ও ডোবা ভরাট করা হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব কার্যক্রম বেড়ে গেছে। চান্দুরা ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসসংলগ্ন আমতলী থেকে ডাকবাংলা সড়কের আশপাশে কৃষিজমি ভরাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া চর ইসলামপুর ইউনিয়নের রসুলপুর ও চান্দুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়ও কৃষিজমি ও পুকুর ভরাটের অভিযোগ রয়েছে। পত্তন ইউনিয়নের লক্ষীমোড়া ও মনিপুর এবং চর ইসলামপুর ইউনিয়নের মোহাম্মাদপুর এলাকায়ও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এসব ভরাট কার্যক্রমে কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, অপরিকল্পিতভাবে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট অব্যাহত থাকলে কৃষি উৎপাদন, পানি সংরক্ষণ ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রশাসনের সরেজমিন পরিদর্শন এবং আইনবহির্ভূত ভরাট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সামাজিক সংগঠন তরী বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিজয়নগরে যে হারে কৃষিজমি ভরাট চলছে, তার বিপরীতে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।” এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অনলাইন ডেক্স 

























