ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের সামনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৫০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দুইটি সম্ভাব্য পথের দিকে নজর দিচ্ছেন। প্রথমটি হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব। দ্বিতীয়টি হলো ইসরায়েলের সহযোগিতায় ইরানকে নতিস্বীকারে বাধ্য করতে সামরিক অভিযান শুরু করা।

ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি, তবে কর্মকর্তাদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোন পথ গ্রহণ করা হবে তা নির্ধারিত হবে। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য সময় খুব কম রয়েছে।

কাতার, মিসর, পাকিস্তানসহ অন্যান্য আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং কূটনৈতিক পথ বন্ধ না হওয়ার জন্য ইসরায়েলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

তবে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কায় ওয়াশিংটন যুদ্ধের প্রস্তুতি জোরদার করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং বিমান পাঠিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সপ্তাহান্তে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অবকাঠামোর ওপর হামলা জোরদার করেছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ নিয়ে ঘরের মাঠে ক্ষোভ বাড়ছে।

আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কার্যকর হলে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির নৌপথ খুলে যাবে। তবে ট্রাম্প ও ইরান কেউই এই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলার জয়যাত্রার নাবিকেরা দেশে ফিরেছেন

ট্রাম্পের সামনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনা

আপলোড সময় : ০৯:৫০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দুইটি সম্ভাব্য পথের দিকে নজর দিচ্ছেন। প্রথমটি হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব। দ্বিতীয়টি হলো ইসরায়েলের সহযোগিতায় ইরানকে নতিস্বীকারে বাধ্য করতে সামরিক অভিযান শুরু করা।

ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি, তবে কর্মকর্তাদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোন পথ গ্রহণ করা হবে তা নির্ধারিত হবে। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য সময় খুব কম রয়েছে।

কাতার, মিসর, পাকিস্তানসহ অন্যান্য আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং কূটনৈতিক পথ বন্ধ না হওয়ার জন্য ইসরায়েলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

তবে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কায় ওয়াশিংটন যুদ্ধের প্রস্তুতি জোরদার করছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং বিমান পাঠিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সপ্তাহান্তে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অবকাঠামোর ওপর হামলা জোরদার করেছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ নিয়ে ঘরের মাঠে ক্ষোভ বাড়ছে।

আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কার্যকর হলে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির নৌপথ খুলে যাবে। তবে ট্রাম্প ও ইরান কেউই এই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন