কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ২০০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, ফলে প্রায় ৬ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবারও জেলার প্রধান নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলায় গত চারদিনে বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ধসের ঘটনায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং নৌপথগুলোও বন্ধ রয়েছে।
জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হচ্ছে। কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ঈদগাঁও ও মাতামুহুরী এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ পানির নিচে রয়েছে।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য শুকনো খাবার ও ঢেউটিন মজুত রয়েছে।
এছাড়া সাগর উত্তাল থাকার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার-মহেশখালী এবং পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে, যা দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 

















