ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধের দাবি জানালেন জিয়াউল আহসান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:১৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলার মতো নিজেকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার দাবি করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামির ডকে দাঁড়িয়ে জিয়াউল আহসান বলেন, "গ্রেপ্তারের পর মনে হয় আমিই একমাত্র অপরাধী, এ দেশে আর কেউই নেই।" তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে মিডিয়া ট্রায়ালের প্রসঙ্গ তোলেন এবং অভিযোগ করেন যে প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হলেও জেরা লেখা হয় না।

জিয়াউল আহসান আরও বলেন, "কেক কাটা নিয়ে আমাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জিজ্ঞেস করেছেন, অথচ আমি ওই দিন ছিলামই না। মিডিয়া আমাকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে।" তিনি অতিরিক্ত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধের জন্য অনুরোধ জানান।

ট্রাইব্যুনাল বিচারকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, "বিচারাধীন বিষয়ে গণমাধ্যমকে সতর্ক করতে হবে।" প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, তারা কখনোই তথ্য বিকৃত করেন না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে যেন আসামিদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করা হয়।

জিয়াউলের আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, "বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রে আমরা গণমাধ্যমে কথা বলি না।" প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ তুলে বলা হয়, অন্য আইনজীবী নাজনীন নাহার ঠিকই করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নৌপরিবহন মন্ত্রীর

মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধের দাবি জানালেন জিয়াউল আহসান

আপলোড সময় : ০৪:১৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলার মতো নিজেকে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার দাবি করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামির ডকে দাঁড়িয়ে জিয়াউল আহসান বলেন, "গ্রেপ্তারের পর মনে হয় আমিই একমাত্র অপরাধী, এ দেশে আর কেউই নেই।" তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে মিডিয়া ট্রায়ালের প্রসঙ্গ তোলেন এবং অভিযোগ করেন যে প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হলেও জেরা লেখা হয় না।

জিয়াউল আহসান আরও বলেন, "কেক কাটা নিয়ে আমাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জিজ্ঞেস করেছেন, অথচ আমি ওই দিন ছিলামই না। মিডিয়া আমাকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে।" তিনি অতিরিক্ত মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধের জন্য অনুরোধ জানান।

ট্রাইব্যুনাল বিচারকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, "বিচারাধীন বিষয়ে গণমাধ্যমকে সতর্ক করতে হবে।" প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, তারা কখনোই তথ্য বিকৃত করেন না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে যেন আসামিদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করা হয়।

জিয়াউলের আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, "বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রে আমরা গণমাধ্যমে কথা বলি না।" প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ তুলে বলা হয়, অন্য আইনজীবী নাজনীন নাহার ঠিকই করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন