ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে ৩ দিন পরে উদ্ধার হলো বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:০০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১৬ Time View

সৌদি আরবে আবহা শহরে সোহাগ রানা (৪২) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর টানা তিন দিন তার মরদেহ নিজ শয়ন কক্ষে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত সোহাগের পরিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌদি আরবে আবহা শহরের বাসা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

সোহাগ রানা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ উল্যাহ মিয়ার বাড়ীর বশির উল্যাহর ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।

মৃত সোহাগের মামাতো ভাই সৈয়দ রিগান জানান, সোহাগ ৭ বছরের বেশি সময় ধরে সৌদিতে ছিলেন। এর আগে তিনি দুবাইতে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তার আকামা এবং পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তিনি নবায়নের চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু হতাশায় ভুগছিলেন।

তিনি আরও জানান, গত সোমবার থেকে সোহাগ তার কর্মস্থলে যাননি। প্রথম দিন তাকে দোকানে না দেখে সহকর্মীরা মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ। পরে কফিলের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সোহাগের মরদেহ দেখতে পান। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, অতিরিক্ত চিন্তা থেকে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে।

সোহাগ রানার মরদেহ দেশে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের দাবি, না হলে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান লেবার পার্টির চেয়ারম্যানের

সৌদি আরবে ৩ দিন পরে উদ্ধার হলো বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ

আপলোড সময় : ০৫:০০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবে আবহা শহরে সোহাগ রানা (৪২) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর টানা তিন দিন তার মরদেহ নিজ শয়ন কক্ষে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত সোহাগের পরিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌদি আরবে আবহা শহরের বাসা থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

সোহাগ রানা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ উল্যাহ মিয়ার বাড়ীর বশির উল্যাহর ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।

মৃত সোহাগের মামাতো ভাই সৈয়দ রিগান জানান, সোহাগ ৭ বছরের বেশি সময় ধরে সৌদিতে ছিলেন। এর আগে তিনি দুবাইতে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তার আকামা এবং পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তিনি নবায়নের চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু হতাশায় ভুগছিলেন।

তিনি আরও জানান, গত সোমবার থেকে সোহাগ তার কর্মস্থলে যাননি। প্রথম দিন তাকে দোকানে না দেখে সহকর্মীরা মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ। পরে কফিলের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে সোহাগের মরদেহ দেখতে পান। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, অতিরিক্ত চিন্তা থেকে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে।

সোহাগ রানার মরদেহ দেশে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন