নেপালে গত সপ্তাহের আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মরদেহ খুঁজে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রতীকী শেষকৃত্য পালন করছেন তাদের স্বজনরা। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছে।
নেপালের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা রাসুয়ায় নিখোঁজদের আত্মার শান্তির জন্য কাশ-কুশ বা পবিত্র ঘাস দিয়ে প্রতীকী মরদেহ তৈরি করে শেষকৃত্য করা হচ্ছে। বুধবার কাঠমান্ডুর বাগমতী নদীর তীরে পশুপতি আর্যঘাট মন্দিরে কয়েক ডজন প্রতীকী মরদেহের গণদাহ করা হয়।
অন্যদিকে, চিতওয়ান জেলায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি এমন মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর সেগুলো দাফন করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মরদেহের কারণে প্রতিটি মরদেহ আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বন্যায় মানুষের পাশাপাশি তাদের ঘরবাড়িও ভেসে গেছে, ফলে অনেক পরিবার স্বজন হারানোর পর শেষকৃত্য পালনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা হারিয়েছে। কাঠমান্ডুতে আশ্রয়ের সন্ধানে আসা অনেক পরিবারও সরকারি স্থাপনায় পর্যাপ্ত জায়গা পাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার নেপালের সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার সদস্যরা দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন। তবে সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
এদিকে, প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে বন্যায় ২১ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক। দুই দেশে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনে, যাদের মধ্যে ৮৪৪ জন বিদেশি নাগরিক।
অনলাইন ডেক্স 
























