পাকিস্তান আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে চাঁদে নিজস্ব নভোযান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোসফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো) জানিয়েছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গবেষণার উদ্দেশ্যে পাঠানো এই রোভারের নাম ‘জিন্নাহ-১’ রাখা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সুপারকো এক বিবৃতিতে এই চন্দ্রাভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের প্রথম চান্দ্র নভোযানের নামকরণের জন্য দেশব্যাপী উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছিল। জমা পড়া প্রায় চার হাজার নামের মধ্য থেকে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি নির্বাচন করা হয়, যা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি সম্মান জানায়।
সুপারকোর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের চ্যাং’ই-৮ চন্দ্রাভিযান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হবে। এই অংশীদারত্বকে পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচির ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সুপারকোর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রোভার চন্দ্রপৃষ্ঠে সরাসরি অনুসন্ধানের সুযোগ পাবে।
চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে চ্যালেঞ্জিং হলেও বিজ্ঞানীদের কাছে এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিভিন্ন গবেষণায় ওই অঞ্চলে মূল্যবান খনিজ সম্পদ ও বরফাকারে পানির উপস্থিতির সম্ভাবনা দেখা গেছে। চীন ২০২৯ সালের চ্যাং’ই-৮ অভিযানের মাধ্যমে এসব সম্পদের খোঁজ পেতে চায়, যার সফরসঙ্গী হবে পাকিস্তান।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতের মহাকাশযান ‘চন্দ্রযান ৩’ প্রথমবারের মতো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছিল।
অনলাইন ডেক্স 
























