ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৪২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৪ Time View

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা (৭) ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে। বর্তমানে সে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার পর আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। এরপর শিক্ষক এনামুল মোল্লা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীর বাবা শাওন মোল্লা বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায় এক বছর ধরে এই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে কখনো কোনো অভিযোগ ওঠেনি। একটি মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক। তিনি দাবি করেন, ‘আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।’

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে সেপটিক ট্যাংকের দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত

গোপালগঞ্জে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

আপলোড সময় : ১২:৪২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা (৭) ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে। বর্তমানে সে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার পর আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। এরপর শিক্ষক এনামুল মোল্লা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীর বাবা শাওন মোল্লা বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায় এক বছর ধরে এই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে কখনো কোনো অভিযোগ ওঠেনি। একটি মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক। তিনি দাবি করেন, ‘আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।’

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন