ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ার শিশু পরিবার থেকে বের হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

কুষ্টিয়া সরকারি শিশু পরিবার (বালক) থেকে পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর বের হওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। তারা বর্তমানে এইচএসসি ও অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। পরীক্ষার সময় পর্যন্ত শিশু পরিবারে থাকার সুযোগ চেয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন মো. আকাশ ইসলাম, মো. আকাশ শেখ, মো. তুষার আহাম্মেদ, মো. আলফাজ হোসেন ও মো. অভি হাসান। তারা বাবাকে হারিয়ে এবং পারিবারিক দারিদ্র্যের কারণে শিশু পরিবারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছেন।

আকাশ ইসলাম জানান, তিনি ২০০৭ সালে শিশু পরিবারে ভর্তি হন এবং বর্তমানে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান ছাড়লে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।

তুষার আহাম্মেদ বলেন, তার উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রস্তুতি নিতে চান, কিন্তু আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। অন্য শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল লতিফ জানান, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাদের শিশু পরিবার ছাড়তে হবে। তবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাইলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ ও তার স্ত্রীসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

কুষ্টিয়ার শিশু পরিবার থেকে বের হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

আপলোড সময় : ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়া সরকারি শিশু পরিবার (বালক) থেকে পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর বের হওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। তারা বর্তমানে এইচএসসি ও অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত। পরীক্ষার সময় পর্যন্ত শিশু পরিবারে থাকার সুযোগ চেয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন মো. আকাশ ইসলাম, মো. আকাশ শেখ, মো. তুষার আহাম্মেদ, মো. আলফাজ হোসেন ও মো. অভি হাসান। তারা বাবাকে হারিয়ে এবং পারিবারিক দারিদ্র্যের কারণে শিশু পরিবারে আশ্রয় নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছেন।

আকাশ ইসলাম জানান, তিনি ২০০৭ সালে শিশু পরিবারে ভর্তি হন এবং বর্তমানে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান ছাড়লে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হবে।

তুষার আহাম্মেদ বলেন, তার উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রস্তুতি নিতে চান, কিন্তু আশ্রয় হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। অন্য শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল লতিফ জানান, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাদের শিশু পরিবার ছাড়তে হবে। তবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাইলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন