ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে যানজট কমাতে চালু হচ্ছে ‘যানজট শুল্ক’

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

রাজধানী ঢাকায় যানজট কমানোর লক্ষ্যে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। ‘কনজেশন চার্জ’ বা যানজট শুল্ক চালু করা হবে, যা গণপরিবহন সুবিধা উন্নত হওয়া করিডোরগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে এই উদ্যোগের ফলাফল কাঙ্ক্ষিত হবে না।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও আধুনিক বাসসেবা থাকা করিডোরে প্রবেশকারী প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ট্রাকের ওপর ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ করা হবে। উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এই ধরনের ব্যবস্থা বহু বছর ধরে কার্যকর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঢাকায় এই ব্যবস্থা কার্যকর করা সহজ হবে না। বিকল্প হিসেবে পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন নিশ্চিত না করে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানো জনভোগান্তি বাড়াতে পারে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, কার্যকর বিকল্প থাকতে হবে, যাতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকারীরা সহজেই গণপরিবহনে যেতে পারেন।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) জানিয়েছে, রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, ২০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু করিডোরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানজট শুল্ক আদায় করা হবে।

অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে পারলে রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিটিসিএ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে কেএসআরএমের তিন শিল্প কারখানা পরিদর্শন করলেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সুপার

রাজধানীতে যানজট কমাতে চালু হচ্ছে ‘যানজট শুল্ক’

আপলোড সময় : ১২:৫১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানী ঢাকায় যানজট কমানোর লক্ষ্যে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। ‘কনজেশন চার্জ’ বা যানজট শুল্ক চালু করা হবে, যা গণপরিবহন সুবিধা উন্নত হওয়া করিডোরগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে এই উদ্যোগের ফলাফল কাঙ্ক্ষিত হবে না।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও আধুনিক বাসসেবা থাকা করিডোরে প্রবেশকারী প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ট্রাকের ওপর ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ করা হবে। উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এই ধরনের ব্যবস্থা বহু বছর ধরে কার্যকর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঢাকায় এই ব্যবস্থা কার্যকর করা সহজ হবে না। বিকল্প হিসেবে পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন নিশ্চিত না করে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানো জনভোগান্তি বাড়াতে পারে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, কার্যকর বিকল্প থাকতে হবে, যাতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারকারীরা সহজেই গণপরিবহনে যেতে পারেন।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) জানিয়েছে, রাজধানীকে যানজটমুক্ত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, ২০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু করিডোরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যানজট শুল্ক আদায় করা হবে।

অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে পারলে রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিটিসিএ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন