চলমান ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) বর্তমানে একটি বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং দেশটির ফেডারেল কৌঁসুলিরা এএফএ’র বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এএফএর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ওপর এই তদন্ত কেন্দ্রিত। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার আমেরিকার আর্থিক ব্যবস্থার মধ্যে লেনদেন হয়েছে এবং সেসব লেনদেনে আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না।
এএফএ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আর্জেন্টাইন ফুটবলের সফল অধ্যায় পার করছে, যার মধ্যে ২০২২ ও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মিশন উল্লেখযোগ্য। তদন্তকারীরা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেশনের বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি ও আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনা করছেন।
গত এক বছরে আর্জেন্টাইন ফুটবলে ঘটে যাওয়া একাধিক আইনি ও আর্থিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘সুর ফিনানজাস’ নামের একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এএফএ সদর দপ্তর ও দেশটির বেশ কয়েকটি ক্লাবে অভিযান চালিয়েছিল।
মার্কিন তদন্তকারীরা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিভিন্ন লেনদেন খতিয়ে দেখছেন। তবে এএফএর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হয়নি এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি।
আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই মাঠের বাইরের এসব খবর সামনে আসছে। এফবিআইয়ের তদন্তের ফলে সংস্থাটির সুশাসন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত এই প্রশ্নগুলো আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 





















