ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন: দায়িত্ব পালন না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২০২ Time View

বাংলাদেশে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করা প্রত্যেক সন্তানের আইনগত দায়িত্ব। পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, এই দায়িত্ব পালন না করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে, যা খাওয়া-দাওয়া, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং সঙ্গ প্রদান অন্তর্ভুক্ত করে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক আলোচনা করে এ দায়িত্ব পালন করবে। পিতা-মাতা বৃদ্ধনিবাসে থাকতে বাধ্য করা যাবে না।

আইনের ৪ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, পিতার অনুপস্থিতিতে দাদা-দাদী এবং মাতার অনুপস্থিতিতে নানা-নানীর ভরণপোষণের দায়িত্বও নাতি-নাতনির ওপর বর্তায়। ৫(১) ধারায় এই দায়িত্ব লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালিদ হোসাইন বলেন, এই আইন বাংলাদেশের পারিবারিক মূল্যবোধ ও প্রবীণদের অধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও জানান, আইনটি সন্তানদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পারিবারিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করবে।

২০২৩ সালের বিধিমালায় ভরণ-পোষণ তহবিল ও পরিচর্যাকেন্দ্র গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যা অসহায় প্রবীণদের জন্য নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লস অ্যাঞ্জেলেসে উদ্বোধন হলো নাইট রাইডার্সের আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন: দায়িত্ব পালন না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আপলোড সময় : ০২:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করা প্রত্যেক সন্তানের আইনগত দায়িত্ব। পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, এই দায়িত্ব পালন না করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে, যা খাওয়া-দাওয়া, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং সঙ্গ প্রদান অন্তর্ভুক্ত করে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক আলোচনা করে এ দায়িত্ব পালন করবে। পিতা-মাতা বৃদ্ধনিবাসে থাকতে বাধ্য করা যাবে না।

আইনের ৪ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, পিতার অনুপস্থিতিতে দাদা-দাদী এবং মাতার অনুপস্থিতিতে নানা-নানীর ভরণপোষণের দায়িত্বও নাতি-নাতনির ওপর বর্তায়। ৫(১) ধারায় এই দায়িত্ব লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালিদ হোসাইন বলেন, এই আইন বাংলাদেশের পারিবারিক মূল্যবোধ ও প্রবীণদের অধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও জানান, আইনটি সন্তানদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে, যা পারিবারিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় করবে।

২০২৩ সালের বিধিমালায় ভরণ-পোষণ তহবিল ও পরিচর্যাকেন্দ্র গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যা অসহায় প্রবীণদের জন্য নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন