মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির মধ্যে আবারো সংঘাত শুরু হয়েছে। এ সংঘাতের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও প্রশাসন আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, বিমান হামলার শব্দের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, "এই পর্যন্ত সীমান্ত শতভাগ সুরক্ষিত রয়েছে।"
জালিয়াপাড়া এলাকার রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক জানান, সকাল থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু শব্দ শোনা গেছে এবং রাত ৮টার পর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ বেড়ে গেছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
টেকনাফে বসবাসরত একজন পুরাতন রোহিঙ্গা জানান, সকাল থেকে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে গুলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সন্ধ্যার পর যোদ্ধা বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপের খবর পাওয়া গেছে, তবে হতাহতের তথ্য এখনও জানা যায়নি। কিছু রোহিঙ্গা পরিবার সীমান্তের দিকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুক মান্নান বলেন, "বহুদিন পর মিয়ানমারে আবার সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। বিস্ফোরণের শব্দে মানুষের ঘরবাড়ি কেঁপে উঠেছে।" টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে মিয়ানমারের মংডু এলাকার সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে, যার শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় শোনা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২৮ ডিসেম্বর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও জান্তা সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।
অনলাইন ডেক্স 
























