অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিদেশে চিকিৎসার জন্য সরকারি কোষাগার থেকে ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকা বিল নিয়েছেন। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদেশে চিকিৎসা খরচের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়।
ড. সালেহউদ্দিন জানান, ‘আমি খুব সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। একপর্যায়ে শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। দেশে চিহ্নিতই করা যাচ্ছিল না। পরে বাধ্য হয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরকারের অনুমোদন নিয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছি। সেখানে আমি তিনবার চিকিৎসা নিয়েছি।’
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা এই উপদেষ্টার অধীনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা মোট স্বাস্থ্য বাজেটের ০.০০০১৮৯ শতাংশ। প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান।
বিদেশে চিকিৎসা বাবদ ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকা নিয়ে প্রথম অবস্থানে সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন রয়েছেন। সালেহউদ্দিনের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ বিল নিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, যিনি ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা নিয়েছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের চিকিৎসার বিষয়টি তদারকি করে। তারা বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে বিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেন, যা পরে মন্ত্রীদের অ্যাকাউন্টে যোগ হয়। দেশে তারা সাধারণত সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসা নেন।
অনলাইন ডেক্স 























