ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধে এবার নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করল ইরান, তালিকা প্রকাশ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ৩০৭ Time View

ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর কার্যালয়কে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করে তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আমাজন, গুগল, মাইক্রোসফট এবং এনভিডিয়ার ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা অফিসগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘আঞ্চলিক যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর পরিধিও ধীরে ধীরে বাড়ছে।’ তবে এই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে তারা কোনো নির্দিষ্ট সূত্র উল্লেখ করেনি। 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ হামলা পালটা হামলার ঘটনা বাড়ার ফলে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ যদি সামরিক স্থাপনা ছাড়িয়ে জ্বালানি, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি অবকাঠামোর ওপর ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও ডিজিটাল অবকাঠামোর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টার ও আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের অর্থনৈতিক সংকট: তেল বিক্রি ও কারখানা ধ্বংসের প্রভাব

যুদ্ধে এবার নতুন লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করল ইরান, তালিকা প্রকাশ

আপলোড সময় : ১১:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর কার্যালয়কে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করে তালিকা প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আমাজন, গুগল, মাইক্রোসফট এবং এনভিডিয়ার ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা অফিসগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘আঞ্চলিক যুদ্ধ যখন অবকাঠামোগত যুদ্ধের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর পরিধিও ধীরে ধীরে বাড়ছে।’ তবে এই সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে তারা কোনো নির্দিষ্ট সূত্র উল্লেখ করেনি। 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ হামলা পালটা হামলার ঘটনা বাড়ার ফলে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ যদি সামরিক স্থাপনা ছাড়িয়ে জ্বালানি, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি অবকাঠামোর ওপর ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও ডিজিটাল অবকাঠামোর জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ উপসাগরীয় দেশগুলোতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টার ও আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন