চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য ১৫ হাজার টাকার সরকারি ফি থাকা সত্ত্বেও দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করেন।
গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আসামিরা দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তারা ঘুষ নিয়েছিলেন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন জানান, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় আসামিদের হাতেনাতে আটক করেন।
এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে লিখিত অভিযোগ করেন, যার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জবানবন্দিতে উমেদার রূপণ দাশ জানান, তিনি ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত এবং সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি টাকা নেওয়া হয়েছে।
রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং পরে ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তিনি দাবি করেন, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি ছিল না।
অনলাইন ডেক্স 






















