ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষক ১৫ বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করছেন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি (পাস) শাখার ১০ শিক্ষক প্রায় ১৫ বছর ধরে কোনো সরকারি বেতন-ভাতা ছাড়াই পাঠদান করে আসছেন। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুদানে, তবে ডিগ্রি শাখাটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি।

কলেজের অবস্থান নাসিরনগর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে, যেখানে যাতায়াতের জন্য নৌপথ ও কাঁচা সড়ক ব্যবহার করতে হয়। বর্ষাকালে যাতায়াতে সময় লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। এই কলেজটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এমপিওভুক্তির জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত আসেনি। কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওমর আলী বলেন, ২০১১ সাল থেকে তিনবার আবেদন করা হলেও ইতিবাচক কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন বিনা বেতনে কাজ করতে গিয়ে তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। একজন শিক্ষক বলেন, “এত বছর বিনা বেতনে শিক্ষকতা করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।” তাদের অভিযোগ, এই অনিশ্চয়তা শিক্ষার কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলছে।

এম. এ. হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য, জানান, কলেজটির এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, কলেজটির গুরুত্ব শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগও নিশ্চিত করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফর বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করবে: মুশফিকুল ফজল আনসারী

চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষক ১৫ বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করছেন

আপলোড সময় : ০৩:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি (পাস) শাখার ১০ শিক্ষক প্রায় ১৫ বছর ধরে কোনো সরকারি বেতন-ভাতা ছাড়াই পাঠদান করে আসছেন। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুদানে, তবে ডিগ্রি শাখাটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি।

কলেজের অবস্থান নাসিরনগর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে, যেখানে যাতায়াতের জন্য নৌপথ ও কাঁচা সড়ক ব্যবহার করতে হয়। বর্ষাকালে যাতায়াতে সময় লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। এই কলেজটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এমপিওভুক্তির জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত আসেনি। কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওমর আলী বলেন, ২০১১ সাল থেকে তিনবার আবেদন করা হলেও ইতিবাচক কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন বিনা বেতনে কাজ করতে গিয়ে তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। একজন শিক্ষক বলেন, “এত বছর বিনা বেতনে শিক্ষকতা করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।” তাদের অভিযোগ, এই অনিশ্চয়তা শিক্ষার কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলছে।

এম. এ. হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য, জানান, কলেজটির এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, কলেজটির গুরুত্ব শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগও নিশ্চিত করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন