নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত তরুণ শাহ আলমগীর (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমগীরের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার রানীচাপুর গ্রামের নূরুল হকের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় রানীচাপুর এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ আবার মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায়।
সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের অন্তত ২৮ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংঘর্ষের এক পক্ষে ছিলেন চাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমানের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ছিলেন একই ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিগেল মিয়ার অনুসারীরা।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরুদ্দিন বলেন, ‘শাহ আলমগীরের মৃত্যুর ব্যাপারে থানায় এখনও কেউ জানায়নি। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় দুপক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।’ বর্তমানে রানীচাপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
অনলাইন ডেক্স 






















