ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হলো

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:৩০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১৬ Time View

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে আওয়ামী লীগের সমাবেশে একের পর এক গ্রেনেড হামলা চালানো হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিলেন শেখ হাসিনা। হামলায় তিনি আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

ঘটনার পর মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত নিয়ে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলাগুলোর তদন্ত নতুন করে শুরু হয়।

২০০৮ সালে সিআইডি দুই মামলায় ২২ জনকে আসামি করে পৃথক অভিযোগপত্র দেয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্রে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ দুই মামলার রায় দেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ওই রায় বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেন। আদালত সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত বিচারকে অবৈধ ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেন।

২১ আগস্টের হামলার ২২ বছর পরও দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম সহিংসতার স্মৃতি হয়ে আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ছয় মাসে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা: মাহমুদুর রহমান মান্না

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হলো

আপলোড সময় : ০৩:৩০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন এবং শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে আওয়ামী লীগের সমাবেশে একের পর এক গ্রেনেড হামলা চালানো হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিলেন শেখ হাসিনা। হামলায় তিনি আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।

ঘটনার পর মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত নিয়ে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলাগুলোর তদন্ত নতুন করে শুরু হয়।

২০০৮ সালে সিআইডি দুই মামলায় ২২ জনকে আসামি করে পৃথক অভিযোগপত্র দেয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্রে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ দুই মামলার রায় দেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ওই রায় বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেন। আদালত সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত বিচারকে অবৈধ ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেন।

২১ আগস্টের হামলার ২২ বছর পরও দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম সহিংসতার স্মৃতি হয়ে আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন