ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল ও রেস্তোরাঁকে শোকজ করেছে ফায়ার সার্ভিস

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১২ Time View

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা ইন-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস ওই অঞ্চলের ১৩টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করেছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, ৯টি হোটেল ও ৪টি রেস্তোরাঁকে প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত হোটেল শিখা ইন-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭ বাংলাদেশি ও ২ ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারান। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক, তার স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুর ছিলেন। ভারতীয়দের মধ্যে একজন ১৯ বছর বয়সী হোটেল কর্মী এবং অন্যজন ৬৮ বছর বয়সী নাগরিক ছিলেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলটিতে ১০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন, যাদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি ছিলেন।

হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্র প্রায় পাঁচ মাস আগে এটি অন্য এক ব্যক্তির স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেন। ঘটনার পর পুলিশ ইজারাদার আবুজাফরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে, যেখানে বিচারক তাকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর তাসনিম জারার পোস্ট

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল ও রেস্তোরাঁকে শোকজ করেছে ফায়ার সার্ভিস

আপলোড সময় : ১২:০০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা ইন-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস ওই অঞ্চলের ১৩টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করেছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, ৯টি হোটেল ও ৪টি রেস্তোরাঁকে প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত হোটেল শিখা ইন-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭ বাংলাদেশি ও ২ ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারান। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক, তার স্ত্রী, শিশুসন্তান ও শ্বশুর ছিলেন। ভারতীয়দের মধ্যে একজন ১৯ বছর বয়সী হোটেল কর্মী এবং অন্যজন ৬৮ বছর বয়সী নাগরিক ছিলেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলটিতে ১০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন, যাদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি ছিলেন।

হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্র প্রায় পাঁচ মাস আগে এটি অন্য এক ব্যক্তির স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেন। ঘটনার পর পুলিশ ইজারাদার আবুজাফরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে, যেখানে বিচারক তাকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন