ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা ও ভাগনির মৃত্যু

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২১২ Time View

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজারে একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামা ও ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহীন (২৪) এবং তার ভাগনি হাফছা (৮)।

এ ঘটনায় শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

বিস্ফোরণের পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসার মৃত্যু হয়। এর ৬ ঘণ্টা পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে মামা শাহীনও মারা যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা ও ভাগনির মৃত্যু

আপলোড সময় : ০১:০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজারে একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামা ও ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহীন (২৪) এবং তার ভাগনি হাফছা (৮)।

এ ঘটনায় শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

বিস্ফোরণের পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসার মৃত্যু হয়। এর ৬ ঘণ্টা পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে মামা শাহীনও মারা যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন