মার্কিন সামরিক সম্পদকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখতে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলো ইসরায়েল ও আশপাশের দেশে স্থানান্তর করার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি। তিনি এই মন্তব্য করেছেন লন্ডন থেকে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে।
গত সপ্তাহে জিউইশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি অব আমেরিকার আয়োজিত ওয়েবিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে ম্যাকেঞ্জি বলেন, কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে সেন্টকমের ফরোয়ার্ড সদর দপ্তর রাখা কৌশলগতভাবে যুক্তিযুক্ত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে এই ঘাঁটি থাকা নিরাপদ নয়।
২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ম্যাকেঞ্জি জানান, তিনি বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন যে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানি হামলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি প্রস্তাব দেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র যেন পশ্চিমে অবস্থিত ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করে।
ম্যাকেঞ্জি দাবি করেন, বাইডেন প্রশাসন ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। তিনি বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ব্যবস্থা শীতল যুদ্ধের সময়কার উত্তরাধিকার, যা বর্তমান কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ম্যাকেঞ্জির মন্তব্য মিডল ইস্ট আইয়ের একটি পূর্ববর্তী প্রতিবেদনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল, সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরান মার্কিন ঘাঁটির দুর্বলতা উন্মোচন করেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করার পরামর্শ দেন, তবে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েল, মিশর ও সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকায় স্থানান্তর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনলাইন ডেক্স 




















