ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ পরিবারের সদস্যদের আবেগময় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৪৬ Time View

৪ জুলাই, শনিবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধারা একত্রিত হন, সন্তান ও স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মেলনের শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্ব করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার আত্মত্যাগ সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছিল।’ নিহত ১৫ বছর বয়সি আলভীর বাবা আবুল হাসান সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের প্রত্যাশা করেন। শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া স্মৃতিফলক সুরক্ষার দাবি জানান।

আহত যোদ্ধারা নিজেদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। আহত শাহীন মালু বলেন, ‘দেশ নিরাপদ থাকবে বিএনপির হাতে।’ সম্মেলনে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানানো হয়, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন পরবর্তীতে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রূপ নেয়।

জুলাই আন্দোলনে নিহতদের সরকার গেজেট আকারে ৮৩৪ জন হিসেবে প্রকাশ করেছে, তবে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শহীদ পরিবারের সদস্যদের আবেগময় স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

আপলোড সময় : ০২:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

৪ জুলাই, শনিবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধারা একত্রিত হন, সন্তান ও স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মেলনের শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্ব করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার আত্মত্যাগ সবাইকে অনুপ্রাণিত করেছিল।’ নিহত ১৫ বছর বয়সি আলভীর বাবা আবুল হাসান সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচারের প্রত্যাশা করেন। শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া স্মৃতিফলক সুরক্ষার দাবি জানান।

আহত যোদ্ধারা নিজেদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। আহত শাহীন মালু বলেন, ‘দেশ নিরাপদ থাকবে বিএনপির হাতে।’ সম্মেলনে ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানানো হয়, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন পরবর্তীতে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রূপ নেয়।

জুলাই আন্দোলনে নিহতদের সরকার গেজেট আকারে ৮৩৪ জন হিসেবে প্রকাশ করেছে, তবে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন